•  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতি রবিবার​

Sunday Supplement 

BILINGUAL WEBZINE

28th June, 2020

 

অনুগল্প

অপর্ণা মুখার্জী

একটা বিশেষ বয়সের পর, কোনো মানুষ যদি bedsore না হয়ে, নাকের মধ্যে দেওয়া পাইপ দিয়ে ভাত না খেয়ে শান্তিতে চলে যেতে পারেন, তো তিনি ভাগ্যবান ..৯৫ অব্দি হৈ হৈ করে বাঁচতে পারলে আলাদা কথা ..
পরিপূর্ণ একটা কেরিয়ার নিয়ে, সংসারের সব দায়-দায়িত্ব পালন করার পর কেউ যদি কষ্ট না পেয়ে চলে যান তো , তিনি মুক্তি পেয়ে যান ..
যিনি চলে গেলেন, তার দিক দিয়ে আমরা ভাবতে পারিনা ..আমরা তাকে দেখতে পাবো না .. ছুঁতে পারব না তাকে ..তাতে তার কিছু আসে যায় না এখন .. তারা চলে যান ভালো থেকো বলে আর আমরা চিঠিতে জানতে থাকি মন খারাপের কথা আকাশের ঠিকানায়..

শেখর সুমনের স্ত্রী তাদের দুই সন্তানের একজনকে, হার্টের কষ্টে কাতরাতে দেখতেন ..তিনি ইউথেনিশার কথা বলেছিলেন ডাক্তারবাবুর কাছে .. সমালোচনার ঝড় উঠেছিল ..
কি ভেবে ভদ্রমহিলা অমন অনুরোধ করেছিলেন, তা বোঝার মতো পরিপক্ক মন আমাদের সমাজের নেই …..খুব কাছের সম্পর্কগুলো ভীষণ সাফার করে, অভ্যেস – ভালোবাসা যাই বলুন..
আমি অকালমৃত্যু দেখেছি ক্লাস নাইনে পড়তে.. খুব কাছের, পিতৃস্থানীয় এক মানুষের মৃত্যু .. হারমনিয়াম নিয়ে গান করতে বসিনি তারপর অনেকদিন.. কেনো ছেড়ে চলে গেলো সেই অভিমানে.. দেখেছি শখ সৌখিনতা কিভাবে রয়ে যায় সযত্নে রাখা শাড়ী গয়নার ভাঁজে ভাঁজে,
মৃত্যু সবসময় শূণ্যতাই নিয়ে আসে .. তবে তার অনেক রকম স্তর আছে | জীবনকে কোনরকমে চলনসই করে কাটিয়ে দেবার নামই বোধয় বেঁচে থাকা..চারদিকের মনখারাপের খবরের মধ্যেও তো তর্ক বোঝাপড়া ছেলেমানুষী হুজুগ এসব করে ভালো থাকা যায়..মন থেকে ভালো না লাগলেও ভালো বলবো, একটু হাত বাড়ালে যদি উষ্ণতা পায়.. দেবো.. মনটাকে মেলে দিলেই তো আকাশের দেখা পাওয়া যায়..
গতকাল ভরা পূর্ণিমার ছবি এটা.. কত প্রিয়জনের সাথে এই জোছনায় ভিজেছিলাম কখনো..তারাও কি পাচ্ছে এই মায়াবী আলো ?

মনে পরছে ছোটবেলার রথের দিনের কথা ..দেবদারু বা আম পাতা, রঙিন ফুলফুলি কাগজ দিয়ে, ফুল মালা দিয়ে সাজানো তিন তলা কাঠের রথ..এই বছর ছোটো ছোটো বাচ্চাদের আনন্দের ঝুলিতে বাদ রয়ে গেল আর একটা খুশির দিন, মজার দিন.. পুরোনো দিনের কথা মনে পড়ে যায়..একটু বড়ো হয়ে বোনদের রথ সাজিয়ে দিতাম আর জগন্নাথ বলরাম সুভদ্রাকে বসিয়ে দিতাম মূর্তির তলায় আঠা দিয়ে, যাতে পরে না যায়…পাড়ায় বাকি রথগুলোর থেকে যেনো বেশি সুন্দর দেখতে লাগে.. মায়ের কাছে বায়না করে প্রসাদ কিনতাম গুজিয়া..সব ঠাকুরের সামনে দিতাম সঙ্গে জল.. ধূপকাঠিও গুঁজে দিতাম..ছোটবোন বাজাতো রথের বাঁশি, পু পু শব্দ তে কান ঝালাপালা হতো সারাদিন.. মেজবোন বাজাতো কাঁসর.. সকাল থেকে অধীর অপেক্ষা, কখন বিকাল হবে..সেদিন দুপুরের নিরামিষ খাবার নিয়ে কোনো ঝামেলাই করতুম না কেউ.. মা শঙ্খ বাজালে রথ নিয়ে রওনা হতাম..আমাদের বাড়ির সামনের লেকটা এক চক্কর দিয়ে বাড়ি ঢুকতাম সন্ধ্যে নামার আগেই .রথ রেখেই মিষ্টির দোকানে দৌড়.. লাল লাল কড়া ভাজা জিলিপি কিনতে আর মা পাঁপড় ভাজতো..কি মজা করে সবাই মিলে আড্ডা দিতে দিতে খেতাম..সামনের বাড়ীর ঘোষ জেঠু দারুণ নিমকি আর সিঙ্গারা বানাতে পারতেন.রথের দিন বিকেলে একবার আমাদের বাড়িতেই বানিয়েছিলেন…পাশের বাড়ীর দত্ত দিদা , সামনের বাড়ীর কাকিমা, বর্ষাদি, মনি আর পিন্টু ও থাকতো..সেদিন সন্ধ্যেবেলা পড়তে বসতাম কিনা এখন আর মনে নেই.. ছোটো ছোটো খুশী , হাসি মজায় কেটেছে ছোটবেলা..আজ সারাদিন একটাও ভেঁপু বাঁশির আওয়াজ কানে এলোনা..ঘরে ঘরে বাচ্চাদের অনলাইন ক্লাস চলছে..সামাজিক দূরত্ব..কেউ বেরোয় নি এবার..আগামী বছর যেনো সব স্বাভাবিক হয়ে যায়..কাঁসর ঘণ্টা, বাঁশি, ধূপের গন্ধ , পাঁপড় ভাজার গন্ধ , লাল লাল জিলিপি সব ফিরে আসে যেনো আবার.. জয় জগন্নাথ

সাবির সুবীর এর নদী ভ্রমণ

A.F.M SHEBGATULLA

সাবির সুবীর দুজনে এক ক্লাসে পড়ে আগেই বলেছি।বাড়ি মফস্সলে কলকাতার অদূরে। সাইকেল চালানো ওদের শখ। ওই বললাম ওরা নিজেদের অজান্তে জৈন তীর্থঙ্কর নেমিনাথের মূর্তি আবিষ্কার করে ফেলেছিল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলিপুর ক্যাম্পাসে গেছিলো। টিভিতে খবরে দেখিয়েছিল। ওরা স্কুলের এখন হিরো। ওদের ইচ্ছা হলো সাইকেলে চক্কর কেটে আবার কলিকাপুরেই ফিরে আসবে।সেই মত সোনারপুর তেমাথার রাস্তা ধরে, মক্রমপুরের রাস্তা ধরে সাইকেল এগোচ্ছে। ঘুটিয়ারি শরীফের কাছে ধোয়া ঘাট নামে একটা জায়গা আছে। সেই দিকে ওদের সাইকেল ছুটছে।

জায়গাটা বেশ নির্জন। দূর গ্রামের ক একটা বাড়ি দেখাযায়। রাস্তার দুই ধারে বড় বড় গাছ। হঠাত দেখতে পেলো রাস্তার পাশে একটা খাল মতন তৈরি হয়েছে। একদম গভীর নয় কিন্তু একটা খাল বেশ বোঝাই যাচ্ছে। ওরা আরো কিছুক্ষণ সাইকেল চালিয়ে একটু জিরিয়ে নিল। কিন্তু এই রাস্তার সাথে খাল কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। সাবির ,সুবীর কে বললো। জানিস গত পূজোতে আমরা কুলু আর মানালিতে বেড়াতে গেছিলাম। সিমলা থেকেই ওই গাড়িটা আমরা বুক করে নিয়ে গেছিলাম। সিমলা থেকে যখন যাচ্ছি তখন মান্ডির দিকে তখন ও বড় বড় পাহাড় ছিল। হিমালয়ের ওই অংশকে বলে ধৌলাধর রেঞ্জ। আবার কুলু থেকে মানালি যাবার সময় এই খাল টার মতই রাস্তার ধারে ধারে একটা নদী যাচ্ছিল। ওটা কি নদী জানিস? সুবীর বলতে পারলো না। ওটাই হলো বিয়াস নদী। আমাদের ভূগোলের বই তে যে নদীটার নাম বিপাশা। ওটা একই নদী।সুবীর সাবিরকে বললো, তুই কি ভাবিস আমি কিছুই জানিনা।জেঠুর কাছে থেকে শুনেছি ওটাকেই সংস্কৃত তে বলে ভিপাস। বেদে সপ্ত সিন্ধু নামে যে কটা নদীর নাম উল্লেখ আছে। ভিপাস তার অন্যতম। জিরিয়ে নেবার পর সাইকেল আবার ছুটছে। কিন্তু খাল টা কিছুতেই রাস্তাকে পিছু ছাড়ছে না! এমন সময় এলো ধোয়াঘাট।

ধোয়াঘাট, জায়গাটা ঘুটিয়ারি শরীফ থেকে কাছে। কিছু দোকানপাট, ঘর বাড়ি আছে। তবে আগের রাস্তার মত নির্জন নয়। এখানে বসতি বেশ ঘন। এক বুড়ো দোকানে বসে বসে চা খাচ্ছিল আর এদের দিকে তাকিয়েছিল। ওরা বুড়োর কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো। দাদু ঘুটিয়ারি শরীফের রাস্তা কোনটা? ওখানে থেকে কি চম্পাহাটি যাবার রাস্তা আছে? বুড়ো দাদু জানালো এই রাস্তা সোজা গেছে ঘুটিয়ারি শরীফ। ওখান থেকে কালাবড়ুর রাস্তা হয়ে চম্পাহাটি যাবার রাস্তা আছে। আবার রেললাইন ধরে ধরে পিয়ালী পর্যন্ত গেলে তার পর রাস্তা ধরে গেলে চম্পাহাটি যাওয়া যায়।

সাইকেল এলো ঘুটিয়ারি শরীফের মাজারের কাছে। দুই বিচ্ছু মতলব করলো। চল মাজারের ভিতরে ঢুকি। যেমন কথা তেমন কাজ। এখানে সার সার দিয়ে মোমবাতি,ফুল,ধুপ কাঠির দোকান! এরকম একটা দোকানের সামনে দোকানিকে বলে সাইকেলটা রেখে দুই বিচ্ছু হাত পা ধুয়ে ঢুকলো মজার চত্বরে। অন্য এক দোকানি ওদের বলল তার দোকান থেকে ধুপ, মোমবাতি কিনতে। কিন্তু দুজনের পকেটে বিশেষ কিছুতো নেই। তাই ওরা ওই পথে গেলো না।

মাজার চত্বরে ভক্তদের সমাগম হয়।মাজারের গম্বুজ টা বেশ বড়ো, সাথে মিনার আছে।আর পাশেই মসজিদ। সব সম্প্রদায়ের লোকজন এখানে আসে। মাজারের চার দিকে ওরা ভালো করে দেখলো। কাছেই আছে সেই বিখ্যাত পুকুর। লোকজন বলে এটা নাকি আড়াই কোপে তৈরি হয়েছে। সত্যি মিথ্যা কিছু বলতে পারবোনা। তবে দুই বিচ্ছু পুকুরটার কাছে গেলো।দেখলো ক এক জন বুড়ি এই পুকুরে কিছু একটা ভাসিয়ে দিচ্ছে। পাশের একটা লোককে জিজ্ঞাসা করলো ওরা কি করছে।লোক টি বললো ওরা কিছু একটা মানত করেছিল তাই হয়ত পুকুরে কিছু ভাসাচ্ছে । মাজার আর চারপাশ টা ভালো করে ওরা দেখলো। মনে অনেক প্রশ্ন উকি দিচ্ছে। কিন্তু উত্তর গুলো ওদের ঠিক জানা নেই। সাবিরের এক মামা আছেন ফজল মামা,ডাক নাম টিংকু । সাবির মনে মনে ভাবলো টিংকু মামা হয়ত এই সবের উত্তর বলে দেবে।

ঘুটিয়ারি শরীফের মাজার ঘুরে ওরা চলে এলো ওদের পরিচিত সাউথ গরিয়ায়। আর এক জন চলে যাবে বেনেবৌ। অনেক্ষন হয়ে গেছে এবার ওরা যে যার বাড়িতে চলে যাবে। এমন সময় দিব্যেন্দু কাকু বিচ্ছু দুটোর ডাক দিলোl আগেই বলেছি দিব্যেন্দু কাকু একজন লেখক। কাকু বললেন, তোরা তো এখন হিরো তা কোথায় ঘুরতে গেছিলিস। কাকু আজ তুমি কলেজ স্ট্রিট যাওনি? কাকু বললো আজ শরীরটা ভালো না তাই যাইনি। তা কোথায় ঘুরতে গেছিলিস। বিচ্ছু দুটো বললো ওই মক্রমপুর থেকে ধোয়াঘাট হয়ে ঘুটিয়ারি সেখান থেকে পিয়ালীর রাস্তা ধরে বাড়ি ফিরছি। দিব্যেন্দু কাকু বললো তা তোরা নদী দেখেছিস? সুবীর বললো কই না তো? সাবির ও বললো এখানে আবার নদী কোথায় কাকু? দিব্যেন্দু কাকু বললো কেনো ধোয়াঘটের কাছেই ত নদী। কোনটা? বিচ্ছু দুটো জানালো। কলকাতার কুদঘাট যেমন এক কালে আদি গঙ্গার ঘাট ছিল তেমনই তো ধোয়াঘাট, কেউ কেউ বলেন ধোয়া ঘাটা। ওটা হল বিদ্যাধরী নদীর ঘাট। সাইকেল চড়ার সময় কি দেখেছিস একটা হাইড্রেনের মতন খাল গেছে। বিচ্ছু দুটো বললো হ্যাঁ। দিব্যেন্দু কাকু বললো ওটাই তো এককালে সুন্দরবনের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলা নদী। সুবীর বললো তার মানে কাকু আমরা যেখান জিরিয়ে নিচ্ছিলাম ওটাই ছিল বিদ্যাধরী নদী? হুম ,কাকু জানালো,এই বিধ্যাধরীর আর একটা শাখা গেছে মিনাখা, ভুষি ঘাটা হয়ে। ওই দিকের নদীটা আজও বেগবান। শুধু ঘুটিয়ারি শরীফের কাছের নদীটা আজ প্রায় কঙ্কাল এ পরিণত হয়েছে। আর কলকাতার টালি নালা ওটাও এই বিদ্যাধরিতে পড়ত। যেখানে পড়তো সেই জায়গাটা ছিল এক কালে পর্তুগিজদের উপনিবেশ,আর তার ঠিক উল্টো দিকে ব্রিটিশ উপনিবেশ ।শুনে দুজন ত বিস্বয়ে হতবাক!

দুজনেই বায়না ধরলো কাকু তোমার সাথেই বেড়াতে যাবো। দিব্যেন্দু কাকু বললো অবশ্যই কিন্তু ওই টিংকু মামাকে সাথে নিতে হবে ও এই ব্যাপার গুলো ভালো জানে। এখন বল মাজারে কিকি দেখলি? সুবীর বললো একটা পুকুর, আর মাজারের গম্বুজ। আর সমাধি স্থলে আমরা যাইনি! জানিস চব্বিশ পরগনায় যে সুফি সংস্কৃতি আছে এখানকার গাজিবাবা তার অন্যতম। গাজীর গান , হলো অন্যতম। উনি এই বিধ্যাধরীর তীরে থাকতেন। জানিস এখনও ওখানে সতেরই শ্রাবণে মেলা বসে? আর প্রথম শিরনী দেন বারুইপুরের চৌধুরী জমিদার রা? চৌধুরীর রা প্রথম শিরনী না দিলে মাজার কর্তৃপক্ষ কারোরই দান গ্রহণ করেন না আজও। বহু আগে বাংলার প্রধানমন্ত্রী সোরাবর্দির দান ও ওরা নেন নি। আগে চৌধুরীরা দেবে তার পরই ওরা বাকিদের শিরনী গ্রহণ করেন। এর পিছনে একটা গল্পো আছে। তোরা টিংকু মামার কাছে থেকেই জেনে নিস।

এখন তোরা বলত পৃথিবীতে সব চেয়ে বড় গম্বুজ কোনটি? উত্তর বিচ্ছু দুটোই দিল বিজাপুরের গোল গম্বুজ। দিব্যেন্দু কাকা জানালো এই গম্বুজ এসেছে রোমান সভ্যতা থেকে। সেখান থেকে এক কালের রোমান সাম্রাজ্য বাইজান্টাইন। সেখান থেকে ভারতবর্ষ। আর সেখান থেকে অবশ্যই মাজার।

সন্ধ্যা ঘনিয়ে এসেছে। দিব্যেন্দু কাকু ওদের বাড়ি চলে যেতে বললেন। ওরাও যে যার বাড়িতে রওনা দিলো।

New Self
Gargi Chaudhuri

Battling Mind,
Whirling thoughts,
Swirling around.

Mind,the master,
Failing wisdom,
Revenges and rages,
Winning grounds.

Tongue, the archer
Lashing words,
Whipping emotion,
Crippled esteem,
Seeking wayout

Weeping soul
Creates a new self
Free and radiant,
Fearless and bright.

ভিক্ষা চেয়ে নাও
অতীশ রায়

জর্জ ফ্লয়েডের আত্মা
অথবা নাম না জানা অসংখ্য সেই সব মানুষ –
যারা আমার দেশের প্রান্ত থেকে প্রান্তে হাটছে – মরছে , তাদের আত্মা –
তারা কিন্তু একদিন হিসেবে চাইবে |
তারা কিন্তু সব মনে রাখবে |
একটা ভালো পৃথিবীর নামে আমরা কি নির্মম মৃত্যু উপহার দিয়েছিলাম তাদের !

মৃত মায়ের চাদর নিয়ে খেলেছিল যে শিশু –
অথবা সেই পালেস্তিনীয় বাচ্চাটা – যে বলেছিলো –
ঈশ্বরকে সব বলে দেবে ! তারা কিন্তু কাউকে ছাড়বেনা
কোনো শালা বাচঁবেনা – অভিশাপ থেকে |

হে পৃথিবী প্রস্তুত হও –
শেষের সেদিন আসন্ন –
মনে হয়ে এখনো একটু সময় আছে –
একটু শুধরে নিতে পারো এখনো
দুটো দিন আরো ভিক্ষা চেয়ে নাও
আমিও চাইছি – আমার নিষ্পাপ মেয়েটার মুখ চেয়ে
তুমি চাইবেনা !

The Flow

Wribhu Chattopadhyay

1

Opening

-What are doing dear?
– Nothing special, darning for the same worship and other rituals.
-Just completed my breakfast; now I am just yet to serve. Then I have to mend the lunch. Oh! I may forget the reason of the phone. She also went out yesterday.
-Really? Time ?
– Around four at the afternoon and returned after one and half an hour.
-Very weird and what about dada?
– He will not deem anything.
–Let’s stop, you need not to tell anything, leave it to me. You have to keep your lip tight and don’t divulge anything to dada.
– But I am now very much worried. Is Maa in any affair?
– Boudi stop thinking, I may be in the next month then the entire matter may be shaken-up.

2

Ruma, the mother
Balcony is very suffocating and Ruma feels lonely here.  But it happens now a day’s only. The surrounded towers and sky scrapers are very penetrating. It has absorbed the fresh air and candidness. The bigger you are the lonelier you would be. Her son Bimbisher is married and bouma Shruti has come. It is their love marriage, and when Ruma heard about them, she atone gave them permission. Shruti was non Brahmin, not of their caste,

After Basab’s death Ruma and her son Bimbishar were trying their best to live in this two- storey house. Her daughter Bidipta came only twice after her father’s death. It was not abnormal for her. She came only once in a year after her marriage, and Basab was living then.

Basab used to ask her and she replied, ‘Baba, I wanted to come but your jamai couldn’t manage and this time is very competitive. For a narrow space her promotion might be dropped.’ Basab understood everything, or pretended to understand, bobbed his head and silently perceived the physical severance from one person to another.

Immediate after his death daughter Bidipta came but her husband Pronay couldn’t, or had not. Bidipta came to Ruma and in her sobbing tone said, ‘Maa, your jamai wanted to come but couldn’t manage for an unexpected task.’

It was an obituary occasion but the entire house was very crowded. Ruma liked it very much. Loneliness is always horrible for her. But she has to adopt a lonely life.

Bimbi goes out at office at nine at every morning and after that the entire house becomes a dome for her. But no one could do anything. Bimbi goes out at the morning and returns at evening. Ruma spends her time by fiddling books, and by roving in her memory lane. She sporadically watched the black and white album of her marriage, and remembered the days with Basab.

They together roamed by the river near by their town. She also remembers how Basab said, ‘In my dearth, try to feel my touch in this flowing brook. I would be always with you, not physically but in this flowing brook.’

It was Saturday and Basab was born on Saturday. After his death Ruma remembered everything, and was waiting for the last Saturday of the month. On that day she gets ready and at four pm she comes out and sits besides the river. She dangles her legs and feels a sensation. She closes her eyes and feels a breath of Basab.  Her locks fiddles in air, it seems Basab himself is making love with her, kisses her on her neck and forehead, and says, ‘ make me immortal with a kiss’

That is her pleasure , that is her panacea potion for battling with her seclusion. For the first two months after Basab’s death she goes once in a month then she decides for a fortnight after. And rest of the days she has to engage for that fifteenth date. After six month on a Sunday evening Bimbishar says, ‘After father’s demise I am brooding over your matter, and very afraid too, now it seems you have recovered the stage, I am quite happy with it.’

Ruma smirks and replies, ‘The first few days were really disturbing, I could not manage the solitariness. Now I am trying to solve the equation. I feel your father is with me, and he directs me every time.’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •