• 4
  •  
  •  
  •  
  • 0
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    4
    Shares

CONTENT | ISSUE 25 | 20th Dec, 2020

KAFE HOUSE

This is my poem – Aparna Mandal
Two poems by Samik Sen
এক হতভাগিনীর কাহিনী – তনিমা সাহা
Welcome Winter – Atreyo Ghosh
রাজধানী – বদরুদ্দোজা শেখু

Painting By Saachi Brahma

This is my poem

Aparna Mandal

Fantasy, Human, Mysticism, Mystical, Composing

I will read my poem to you today
A poem that is only mine
Always has been and will be
The other worlds are not for me
Neither are others’ words
I struggle with mine
Even as I read this
Strange are the ways I see
Stranger is the place I belong
I do not align
This is my poem
And I believe it will always be
Dreams come and go
Memories fade as candles burn
Mysteries die and I live
Strange, is it not?
Flowers bear fruit and so do I
You tell me to belong
Don’t I belong enough
I guess not
My talk is less
My words are few
I am reading my poem today
This is my poem
And I hope it remains so.

Latest E-Book Published by Kafe House Publication

জোনাকি নারী  এবং   

লেখকের নাম-শ্যামসুন্দর গোস্বামী

Two poems by Samik Sen

Silhouette, Man, Umbrella, Air, Wind Blowing

I will stoop low to touch thy fire
You have spreaded your wings too much
Let’s see how much you can draw yourself back
Before that if I can pick up my song
From the heart of storm
If by churning the yellow woods I can scratch
The innocence of some words with nails of unrest
And with those bleeding moments once yours craft a sharp sword
And throw it deep into your heart
Will you be able to take all my blows with a merciful smile serene?
I am not the first patricide in the history of man!

Woman, Umbrella, Rain, The Silhouette, Figure, Black

Like a raindrop on a green leaf
A silent word is lost in the traffic noise
As soon as the word
Like a sapling lifts its head
You have to hasten to the music class…
You surprised me by smashing that word
Like a time-worn tune while crossing the zebra line
With sunshine upon your feet….

এক হতভাগিনীর কাহিনী

তনিমা সাহা

Rose, Vector, Graphics, Drawing, Model, Texture, Red

“গোলাপ, গোলাপ… হুজুর আজ রাতে আসবে তোমার কক্ষে। গোপন সুত্রে খবর আছে হুজরের আজ হঠাৎই তার শততম বাঁদীকে দেখতে ইচ্ছে হয়েছে। গোলাপ যে মনে মনে খুশী হয়নি তা নয়। কিন্তু বেশ ভয়েও আছে। শাহেনশাহের কত সুন্দরী এবং গুণী বেগমরা রয়েছেন। শাহেনশাহ তাদের ছেড়ে গোলাপের কাছে আজ রাত কাটাবেন, এ তো গোলাপের সৌভাগ্য। চোখের সামনেই তো দেখেছে নুশরৎ, ফরিদার পরিনতি। আসলে গোলাপ নিজের জন্যে তো ভয় পাচ্ছে না, ভয় পাচ্ছে পেটেরটার জন্যে। তিনমাস আগে যখন শাহেনশাহ এসেছিলেন তার কাছে তখনই ঘটে  ঘটনাটি। শাহেনশাহ নিঃসন্তান। তার তিন বেগম সন্তানজন্মদানে অক্ষম এটা গোলাপ জানে। নাহ্! গোলাপের বেগম হওয়ার বাসনা নেই। কারণ গোলাপ জানে বেগমদের হয়তো অনেক ক্ষমতা কিন্তু কষ্টও কিছু কম নয়। সবচেয়ে বড়ো কষ্ট হলো  নিজের স্বামীকে অন্যকারোর সাথে সময় কাটানোকে হাসিমুখে স্বীকার করে নেওয়া। বিশেষ করে যখন সে সন্তান প্রসবে অক্ষম। কারন তাহলে যেকোনো সময়েই তার স্থান মেহেল থেকে হারেমে হয়ে যেতে পারে। ওই নুশরৎ, ফরিদার তো খুব শখ ছিল শাহেনশাহর বেগম হওয়ার। দুজন দেখতেও তেমনি। ‘এ বলে আমায় দেখ, ও বলে আমায় দেখ’। গোলাপ শাহেনশাহর বেগমদদর দেখেনি কখনো কিন্তু শুনেছে ওরা নাকি শাহেনশাহর বেগমদের থেকেও সুন্দরী দেখতে। তাই তো শাহেনশাহর প্রথম বেগম দিলরুবা বেগমের তাদের উপর কুনজর ছিল। তাইতো যখন দিলরুবা বেগমের কানে গেল যে নুশরৎ আর ফরিদা শাহেনশাহর সন্তান জন্ম দিতে চলছে তখন রাতারাতি দুজনেই হারেম থেকে গায়েব হয়ে গেল। কেউ কোনো খবর ই পেল না যে নুশরৎ আর ফরিদার কী হলো। প্রায় সাতদিন পর ভিনীগঙ্গা নদীর তীরে তাদের পচা, ফুলে ওঠা লাশ ভেসে উঠলো। সেদিন খুব কেঁদেছিল গোলাপ। ভেবেছিল মানুষের হিংসে কতটা ভয়ঙ্কর হয় যা দু’দুটো নিষ্পাপ শিশু প্রানকে শেষ করে দিতে একবারও কেঁপে ওঠে না। সেদিন থেকে গোলাপ খুব সাবধান হয়ে গিয়েছিল। আসলে শাহেনশাকে তো কখনও গোলাপ ভালইবাসেনি…শাহেনশা যা করেছে তার সাথে সবই ছিল গোলাপের ইচ্ছা বিরুদ্ধ। এখনো মনে আছে গোলাপের…মনে হয় যেন এইতো সেদিনেরই কথা। সবেমাত্র স্নান সেরে সেরে পুকুরপাড় থেকে যাচ্ছিল দুর্গামন্দিরে পুজো করতে। হঠাৎ কেউ একজন মুখ  চেপে ধরলো তার একফোঁটা আওয়াজ বার করতে পারলোনা সে মুখ থেকে। কোনো একটা তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ এসেছিল নাকে। যথাসম্ভব শক্তি দিয়ে হাত-পা ছুড়ে নিজেকে ছাড়ানোর যথেষ্ট চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ওই ঝাঁঝালো গন্ধটার জন্য ক্রমেই গোলাপ নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছিল এবং একসময় অচৈতন্য হয়ে পড়লো। যখন জ্ঞান ফিরলো তখন শাহেনশাহর হারেমে আবিষ্কার করলো। গোলাপ জানতো শাহেনশাহর সুন্দরী, তন্বী, যুবতী মেয়েদের প্রতি দূর্বলতার কথা। গোলাপ সেদিক থেকে কিছুটা নিশ্চিত ছিল । কারণ গোলাপ মোটেই দেখতে ভালো নয়। উপরন্তু তার পিতার অভাবের সংসারে একবেলার আহারে গোলাপ কৃষ্ণকায় রঙয়ের সাথে তাল মিলিয়ে কৃষসার শরীর।  এহেন গোলাপের উপর ও যে শাহেনশাহর কুনজর পরতে পারে তা গোলাপের ধারনারও বাইরে ছিল। 

যেইদিন গোলাপ কে অপহরণ করা হলো সেইদিনই গোলাপের পিত্রালয়ে এই সৈন্য গিয়ে একশো মোহর দিয়ে আসলো। যেমন এসেছিল মল্লিকা, চন্দ্রাদের পিতার কাছে। মোহরের পুঁটলী দেখেই গোলাপের পিতা বুঝতে পারলেন যে মেয়ে আর কোনোদিনই ঘরে ফিরবে না। আর যদি ফিরেও আসে তাহলেও কি তিনি মেয়েকে ঘরে তুলবেন? মেয়ে তো তখন অশুচি হয়ে গেছে। এইতো তরুলতা কোনোক্রমে শাহেনশাহর পেয়াদাদের হাত থেকে পালিয়ে চলে এসেছিল। তরুলতার পিতাও তাকে ঘরে তুলে নিয়েছিল। কিন্তু তারপরেই গ্রামশুদ্ধু লোক তাদের একঘরে করে দিল, কেননা তরুলতা অশুচি হয়েছে। তিনদিন পরেই তরুলতা ও তার পিতার নিথর দেহটি তাদের ঘরের ভেতরে ঝুলতে দেখা যায়। “নাহ্! তারচেয়ে এই ভালো। বরং কিছু অর্থ উপার্জন তো হলো, তা সে যে উপায়েই হোক না কেন”,ভাবলেন গোলাপের পিতা।

সেরাতে শাহেনশাহ এসে গোলাপের ষোড়শী পেলব মনকে ছিন্নভিন্ন করার সাথে তার শরীরকেও উপভোগ করলো। গোলাপের নিজের উপর সেদিন ঘেন্না করছিল।নিজেকে শেষ করে দেওয়ার চেষ্টাও করেছিল গোলাপ। সেইকথা শুনে শাহেনশা দৌড়ে এলেন। গোলাপের হাতদুটঝ ধরে সেদিন অঝোরে কাঁদলেন। নিজের কৃতকর্মের জন্যে বারংবার ক্ষমা চাইতে লাগলজন। গোলাপ তো হতবাক হয়ে গেল। সেদিন যে শাহেনশা তাকে নষ্ট করেছিল তার সাথে আজকের শাহেনশার কোনো মিল ই নেই। এরপর থেকে মাঝেমাঝে শাহেনশা আসতেন তার কাছে, গল্প করতেন, কিছুক্ষণ সময় কাটাতেন। গোলাপ জানতো নুশরৎ আর ফরিদাও ওনার খুব প্রিয় বাঁদী। ওদের আবার বেগম হওয়ার স্বপ্ন। তাইতো ওরা নিজেদের ঔরসে ধারন করেছিল শাহেনশার বংশধ্বজ। কিন্তু দিলরুবা বেগমের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে গেল তারা। গোলাপের ততদিনে শাহেনশার প্রতি এক টানের সৃষ্টি হয়েছে। তার ষোড়শী মন তখন ওই মধ্য চল্লিশের মানুষটিকে ভালবেসে ফেলেছে। যেদিন নুশরৎ আর ফরিদার মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল সেদিনও শাহেনশা এসে গোলাপের কাছে কেঁদেছিলেন। গোলাপ সেদিন বুঝতে পারলো যে শাহেনশার বেগমরাই তক্ত চালায়, শাহেনশা তো শুধু কাঠপুতুল মাত্র। সবার কাছে শাহেনশা হলেও আসলে দিলরুবা বেগম ই তক্ত আর যাবতীয় রাজকার্যের হর্তাকর্তাবিধাতা। শাহেনশার করুন অবস্থা দেখে সেদিন গোলাপ নিজে থেকেই শাহেনশার কাছে নিজকে সঁপেছিল। অদ্ভুত ভাললাগায় ভালবাসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন শাহেনশাও। যার ফলশ্রুতিতে গোলাপের অন্তঃস্বত্ত্বা হওয়া। 

গভীর রাতে প্রায় চুপিসারে শাহেনশা এলেন গোলাপের কাছে। বললেন, “গোলাপ, তোমাকে এখান থেকে চলে যেতে হবে”। বিচলিত হয়ে গোলাপ বললো, “কোথায় শাহেনশা, আমি কোথায় যাব”। শাহেনশা বললেন, “কোনো একটা সুরক্ষিত জায়গায়। এখানকার পরিবেশ দিনদিন বড়ো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। দিলরুবা সিংহাসনের লালসা এখন এতটাই বেড়ে গেছে যে সে আমাকেও খুন করতে পিছপা হবে। যে কারনে সে চায় না, আমার কোনো সন্তান এই পৃথিবীতে আসুক। নুশরৎ, ফরিদাকে খুব ভালবাসতাম আমি। তাদের সাথে যা হয়েছে আমি চাইনা তোমার সাথেও সেইসব হোক। আ..আ..আমি তাহলে সহ্য করতে পারবো না। তোমাকে এখান থেকে পালাতে হবে। আমি গোপনসুত্রে খবর পেয়েছি যে দিলরুবা তোমার ব্যপারে জেনে গেছে। আমি চাই না…আমি চাইনা তোমার পরিনতিও নুশরৎ আর ফরিদার মতো হোক”। অশ্রুসজল নয়নে গোলাপ বললো,”কি..কি..কিন্তু শাহেনশা আমি যে আপনাকে ভালবাসি। আপনাকে ছেড়ে আমি যে একমুহূর্তও বাঁচতে পারবো না”। নিজের দুবাহুতে গোলাপকে জড়িয়ে ধরে শাহেনশা বললেন, “জানি…আমি তোমাকে ভালোবাসি গোলাপ। কিন্তু তবুও তোমাকে এখান থেকে পালাতে হবে। যাতে আমার সন্তান এই পৃথিবীর আলো দেখতে পারে। আমি জীবিত থাকি আর না থাকি, এটুকু তো জানবো যে আমার বংশ আছে। আমার সন্তান আছে”। গোলাপ কিছুবলতে পারেনা। সে শুধু অঝোরে কেঁদে ই যাচ্ছে। শাহেনশা গোলাপকে একটা মোহরের বড়ো পুঁটলী আর বেশ কিছু নোট দিয়ে একটা গোপন পথে প্রাসাদ থেকে বাইরে নিয়ে এলো। প্রাসাদের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল শাহেনশার বিশ্বস্ত রক্ষী। এই রক্ষী গোলাপকে এক দূরবর্তী গ্রামে পৌঁছে দিল একদিন এই রক্ষীর কাছে খবর পেল যে কোনো গুপ্ত আততায়ীর হাতে শাহেনশা খুন হয়েছেন এবং দিলরুবা বেগম ই এখন রাজ্য চালাচ্ছেন। হারেমের সমস্ত বাঁদীদের দিলরুবা বেগম এদিক-ওদিক পাচার করে দিয়েছেন। গোলাপ বুঝতে পারল যে শাহেনশাকে কে মেরেছে আর কেনই বা  সেদিন শাহেনশা তাকে হারেম থেকে বের করে নিয়ে এসেছিলেন। গোলাপের আর্তভদী কান্নায় সেদিন রুক্ষ পাষাণও হয়তো গলে গিয়েছিল।

Welcome Winter

Atreyo Ghosh

Christmas, Comic Characters, Decorations, Holiday

The winds are chilly, extremely cold

More than you can try and hold.
Curl up tight in your blanket, all!

The season of winter has fall!

No more pleasant walk to the station.

After all, winter’s gripping the nation.

No more drinking fizzy cold drinks!
That is what winter brings!

But you still have things to do
Like paying a visit to your local zoo.

I know you might think it’s foolish
Then go on a holiday to wherever you wish!

And the best thing to fight off winter’s hug Is warm brewed hot chocolate in a mug.

Sweater, scarves, home-made jumpers Imagine winning them in a single hamper.

Ok, ok please don’t yell.
I am coming to the best part to tell.

After all, when Santa gifts
Every child’s heart hopefully lifts.

Fruitcake and homemade cookies!
There’s so much to eat in the gentle breeze!

As, here comes the Festival King,
‘Jingle Bells!’ Let’s all sing!

Oh, someone please tell me:
Why isn’t there Christmas every week? Christmas trees (those decorated pine ones) , Oh, thinking about it makes me dance!

After that we would welcome
A brand new year that is to come. 

Send your friend a ‘New Years’ card After all, it’s not so hard.

Now our school will reopen,

Our hands will hold the pens.

And mutter the word ‘revision’,

The enemy who is to be done.

After all, within some weeks,

Studies will reach their highest peak.
The time to test our one year knowledge;

The exams are already near the edge.

Do you remember the uses of charcoal?

Or what part of speech is the word ‘shoal’.

If yes, then good, you’ve done really nice.
If no, then the worst, you’ve got to pay the price.

But, after exams, the work is done,

Stands ahead fun and fun.
But you’ll have to wait till the next winter.

And relive the fun of 25th December.

রাজধানী
 
বদরুদ্দোজা শেখু
 
Stary, Train, Travel, Historical, Railway, Transport
 
রাজধানী এক্সপ্রেস ঢুকলো রাজধানী ।
চোখ জুড়ে নগরীর নব্য হাতছানি
মন জুড়ে মোহনার মগ্ন কানাকানি ।
 
ছুটে এলো একদল ভাড়াটে চালক
ধরতে পেরেছে ঠিক আনকোরা লোক ,
মানুষ কী ক’রে পায় শকুনের চোখ ?
 
আগন্তুক হিন্দিতে বড়ো  নড়বড়া
এ শহরে হলো তার-ই প্রথম মহড়া
বাঙ্ময় হৃদয়ের হলো হাতকড়া ।
 
চড়া রোদ, ধরা গলা, জার্ণির ক্লেদ
সরল স্বপ্নের সাথে হলো বিচ্ছেদ, 
এখানে মানতে হবে কতো কী নিষেধ !
 
এখানে রহস্য আছে যন্তরমন্তর  
রামলীলা ময়দান সুস্থ গণতন্ত্রর  
প্রতিবাদের মঞ্চ ,প্রপঞ্চে কুরঙ্গ   
বিরোধীদেরকে মেরে করে ছত্রভঙ্গ ,
গান্ধীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক 
দিয়ে যান নেতাগুলো , নেপথ্যের ছক
নানা দর কষাকষি যুদ্ধ না শান্তি
কোনটা যে সমাধান ছড়ায় বিভ্রান্তি
কাশ্মীর কী যে প্যাঁচ গাল-ভরা দোস্তি
সীমান্তে লাগাতর বারুদের কুস্তি
উপত্যকার জনজীবন ভয়ানক স্তব্ধ
ধরপাকড় কারফিউ করবে কি জব্দ ?
সংসদে লেগে আছে কাদা ছোঁড়াছুড়ি 
প্রকৃত বিতর্ক নাই ,শুধু গলাজোরি , 
অধিবেশনের দিন ক্রমসঙ্কুচিত–
এহেন গণতন্ত্র পেয়ে আমরা গর্বিত !
কমবেশি সব রাজনৈতিক দলই
ব্যবহার করে পেশীশক্তি বাহুবলী,
আইন বিচার আছে ,তবু সুবিচার 
পায়না দুর্বল-শ্রেণী , জয় ক্ষমতার ।
চারিপাশে কানাঘুষো এন-আর-সি জুজু  
সংখ্যাগরিষ্ঠতায় সরকার গুজু 
দ্যায় অনায়াসে সংসদে , ত্রাসে কাঁপে দেশ
নাগরিক দুর্গতির দায় দুঃখ ক্লেশ
নিজভূমে পরবাসী হওয়ার আশঙ্কা,
সমস্ত নস্যাৎ করে বিজয়ীর ডঙ্কা
লঙ্কা-কাণ্ড বাধে দেশে , দেঁতো হাসি হাসে
রাজধানী, মহতের বাণী বানে ভাসে !!
Painting By Saachi Brahma

Publish Your Book with Kafe House 

Sell on Amazon and Offline-Stores 

Earn 100% ROYALTY

Hardbound with Jacket | Paperback 

Mail us: insightfulsite@gmail.com

  •  
    4
    Shares
  • 4
  •  
  •  
  •  
  • 0
  •  
  •  
  •