•  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতি রবিবার​

Sunday Supplement 

BILINGUAL WEBZINE

5th July, 2020

WASHERMAN AND THE DONKEY

Mantri Pragada Markandeyulu
Poet, Novelist, Song and Story Writer

(Theme: Don’t enjoy uninvited luxuries. Eat your food. Stay at your place)

Characters 3 : WASHERMAN, DONKEY, FOX.
(Village scene and Riverside-bed washing area scene)

Washerman:

Come on, Donkey dear,
Carry these cloths to river bed side.

Donkey:

Yes Boss.
I am ready.
Put the cloths on my back.
(Reaches the river side bed. Unload the cloths)

Washerman:

Hey Donkey, Go and eat whatever available nearby.
We’ll go back in the evening.

Donkey:

Yes Boss.
(Thinks my Boss is a useless fellow.)

He won’t provide food.
This fellow is a miser.
He’ll go to dogs one day.
Boss himself begs food daily.
How can he provide food to me.
Donkey goes here and there.
Eats all rotten things.

Washerman:

Come on Donkey.
We’ll go back home.
(Goes to Home
This is a regular feature)

One day a Fox comes from other Forest in search of good food.
Meets this Donkey.
Befriends with Donkey.

Fox:

Hi Donkey.
How Are You Brother?
Good Morning Donkey.
I am from the nearby forest
Let’s be friends.
I like you donkey.

Donkey:

Yes Dear Fox.
Happy to meet you.
How Are you Fox.
You’re highly intelligent, I heard so.
Anyway, you’re welcome.
We’re friends from now on.

Fox:

Okay dear Donkey.
It seems you are a hard worker.
By the by, What is your meal today.
Any special item?

Donkey:

Nothing special.
My Boss is a miser
A very cruel fellow.
He keeps heavy weight on my back.
He won’t provide any food.
I have to eat rotten food.
Junk food.
Am going to Just living.

Fox:

Oh! I am very sorry dear Donkey Brother.
I can’t eat the junk food.
No proteins at all.
If I eat this junk, I will become weak like you.
Let’s have good food.
I know a Farm.
All fruits available.
We’ll go there.

Donkey:

Okay Dear Fox.
I am hungry too.
Let’s go.
Both had good fruits at the farm.

(Donkey and Fox go to farm everyday)

Fox:

Dear Donkey, Enjoy all fruits.
Eat well.
Sleep well
Become Strong.
All fresh items.
Eat as you like.
Take rest.
Evening we’ll go home.
Donkey:

My dear Fox I am happy.
I ate full of stomach.
All nice fruits.
Fresh fruits.

(Donkey takes rest, gets nice sleep.
Before sleep, Donkey loudly sings due to joy)

Fox:

Dear friend Donkey, Don’t sing.
It disturbs all.
Your voice is loud.

Donkey:

No, No, Fox Brother
I am in happy mood.
I like singing.
I’ll sing and take rest.

(Intelligent Fox leaves that place.
Fox knew well that the Farmer will beat this Donkey)

Farmer:

Reaches the Donkey place.
Donkey sleeping.
Farmer observe Farm.
Total Farm got damaged.
Farmer break Donkeys Legs.

Donkey:

Loudly weeps due to heavy pain.
Sings loudly.
Legs broken.
Donkey Limps.
Escapes from the Farm.
Reaches the Boss, Washer man’s house.

Washerman:

Observes Donkeys Legs broken.
Sees Donkey Limping.
Where did you go?
Beats Donkey.
Throw out from his house.

Donkey:

Weeps.
Curses Washer man.
Curses Fox friend.
Dies without food in few days.

Washerman:

Stops washing cloths.
No Donkey Carrier.
No income.
No food.
Also dies in few days.

Fox:

Nowhere seen.
Goes in search of another friend.

THE END.

=========

সমুদ্র

অনসূয়া মুখোপাধ্যায়

সঞ্জয় ছবি তুলতে ভালোবাসে ,প্রফেশন নয় শখ বলা যায় ,ব্যাঙ্ক এর চাকরির পাশাপাশি ছুটি পেলেই ও ক্যামেরা কাঁধে বেরিয়ে পরে। এবার এই গন্তব্য অতি পরিচিত দীঘা ।

বাস থেকে নেমেই হোটেল না খুঁজে সোজা সমুদ্রের সামনে চলে এসেছে। বেশ বেলাই হয়ে গেছে দুপুরের রোদ চর চর করছে ,সঞ্জয়ের কালো রং আর কত কালো হবে ,তাই রোদের তোয়াক্কা না করেই সমুদ্রের দিকে এগোলো। লোকের ভিড় এখনো সেভাবে হয়নি। ফাঁকা সমুদ্র পারের নিজস্ব একটা চরিত্র আছে। দূরে একটা খোলা ছাতা দেখে ,আস্তে আস্তে এগিয়ে গেলো। একটু ক্লান্ত লাগছে বসবে ভাবলো ,কিছুক্ষন পরেই সূর্যাস্ত হবে ,একটা মেছো নৌকা পেলে ,কয়েকটা সিলুট ছবি তুলবে। চারদিকে চোখ ঘোরাতে ঘোরাতেই চোখ আটকে গেলো। ওটা কি !আর এগোতে পারছেনা ,পাগুলো যেন আটকে গেছে ,শেষপর্যন্ত মনে জোর এনে ৩৫০ টেলি টা ফোকাস করলো। একটা ছোট্ট পা বালির মধ্যে থেকে বেরিয়ে আছে। নিশ্চয় খেলতে খেলতে জলে চলে গেছিলো,কোনখান থেকে ভেসে এসেছে ,মা বাবা খুঁজে মরছে। একটু একটু করে এগোলো সঞ্জয় ,চমকে উঠলো ,এ কি !বাচ্চা নয় ,বামন ,বামন একটি মেয়ে ,চোখ গুলো বড্ডো বড় ,ছোট করে চুল ছাঁটা ,বেশ স্বাস্থ্য ভালো ,জলে ভিজে লাল কুর্তি গায়ে আটকে গেছে। অসম্ভব ফর্সা মুখে কি বিস্ময় ,যেন ভাবতেই পারছেনা ,এটা হতে পারে।

কি করবে বুঝতে না পারলেও যান্ত্রিক ভাবে বেশ কয়েকটা ছবি পরপর তুলে ফেললো .

রোদ পরে আসছে ,মৃতদেহ ঘিরে লোক জমতে শুরু করছে। আর থাকতে ইচ্ছা করলোনা। লম্বা লম্বা পা ফেলে হাটতে শুরু করলো। প্রায় চল্লিশ মিনিট হেটে যাবার পর মনে হলো কোথায় চলেছে ও !গরমের দিন বলে ,অন্ধকার হয়নি,কিন্তু সন্ধ্যা নেমে এসেছে প্রায় ছটা বাজে ,বাস থেকে নামার পর কিছু খাওয়া হয়নি। এক কাপ চা খেলে মন্দ হয়না। চারপাশ তাকিয়ে একটা ছোট্ট চায়ের ঠেলা গাড়ি দেখতে পেলো। গাড়ির সামনে থেবড়ে বসে আছেন এক বছর ৭০ এর মহিলা।সর্বশান্ত সর্বহারা এক মানুষ। পোশাক বেশ সম্ভ্রান্ত ,বড় বড় চোখ ,ধবধবে ফর্সা রং ,সাদা আর নীলের কটকী শাড়ি কোনোরকমে গায়ে জড়ানো ,
নাকে একটা হীরের নাকছাবি চকচক করছে ,কোনো হুস নেই ,সঞ্জয় চায়ের কাপ নিয়ে ,চাওয়ালার দিকে তাকালো ,সেও যেন কেমন ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে স্থানুর মতন দাঁড়িয়ে গেছে। চা খাওয়ার বেশ কিছুক্ষন পর আরো এক কাপ চা আর বিস্কুট খেয়ে , ব্যাগ ঠিক করতে করতে সঞ্জয় ছেলেটির সঙ্গে চোখে চোখে সব প্রশ্ন ছুড়ে দিলো,চোখে ছেলেটিরও হাজার প্রশ্ন। সেও বুঝতে পারছেনা মহিলার এভাবে বসে থাকার রহস্য।

দূর থেকে একটা পুলিশের গাড়ি আসছে ,ওদের সামনেই দাঁড়ালো মহিলা এতক্ষনে চোখ তুলে তাকালেন। এতক্ষন যে ওরা সামনে ছিল ,সে নিয়ে কোনো উত্তাপি নেই পাথরের মতন সোজা এগিয়ে গিয়ে পুলিশ এর হাতধরে গাড়িতে গিয়ে উঠলেন।কৌতূহল ছিলই ,এবার একটু বেশি , তবুও কিছু না বলে সঞ্জয় চায়ের দাম মিটিয়ে হাটা দিলো হোটেলের খোঁজে। খুব পরিচিত জায়গা ,বেশি সময় লাগলো না। একটা পছন্দ সই ঘর পেতে। স্নান করে বেশ আরাম লাগছে।সারাদিন যে কিছু খাওয়া হয়নি ,পেট যেন এখন সময় পেলো সে কথা জানাতে,উফফ কি খিদেটাই পেয়েছে। দরজায় তালা লাগিয়ে খাওয়ার হোটেলের খোঁজে বেরিয়ে পড়লো। কিছুটা গিয়েই দাদাবৌদির ভাতের হোটেল ,ভাত মাছের ঝোল সবাই বেশ তৃপ্তি করে খাচ্ছে,অর্ডার দিয়ে চারপাশে চোখ বোলাতে ,নজরে পড়লো সবাই ,ওই মৃতদেহ নিয়েই কথা বলছে,চোখে আবার সেই ছবি ভেসে উঠলো,এতো খিদে কিন্তু খাওয়ার ইচ্ছাটাই উড়ে গেলো , কোনোরকমে কিছুটা খেয়ে উঠে পড়লো।একটা সিগারেট খেতে হবে ,মাথাটা ধরে গেছে।সামনের পানের দোকানেই সিগারেট কিনে ধরাতে ধরাতে ,কানে এলো ফিসফাস গুজগুজ ,যেটুকু জানতে পারলো ,সেটা শুধু মনখারাপ করে দেওয়া আধুনিক পৃথিবীর অসহায় মা বাবার গল্প।চট করে শান্তিপুরের নিজেদের পুরানো রংচটা বাড়ি আর মায়ের মুখটা ভেসে উঠলো।

নতুন কিছু নয়,তবে শেষটা এমন না হলেই ভালো হতো। অসহায়তা মানুষকে যেন এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য না করে। মহিলার স্বামী গতবছর মারা গেছেন। ছেলে উচ্চশিক্ষিত সুচাকুরে। স্বাভাবিকভাবেই দেশে না থেকে বিদেশে গেছে। ছেলে বৌ নিয়ে সুন্দর সাজানো সংসার। দেশে বছরে একবার এসে মা বাবার প্রতি কর্তব্য সেরে যায়.গতবছর মহিলার স্বামী মারা গেছেন .ছেলে আসতে পারেনি। স্বামীর কাজ বৃদ্ধা কেই করতে হয়েছে .সেটা বেশ বড় ধাক্কা ,মহিলা সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মচারী ছিলেন ,স্বামীও বড় চাকুরে ,টাকাপয়সার অভাব নেই ,যার অভাব তাহলো লোকবল.বছর পঞ্চাশের অবিবাহিত মেয়ে ,কে তার দায়িত্ব নেবে,শুধু যে বয়েস আর অবিবাহিত তাতো নয়,মেয়ে যে আর দশজনের মতন নয়.৪ ফুট উচ্চতার মেয়ে ওজন ৬০ কেজি ,হাঁটাচলা বেশি করতে পারেনা .দেহের তুলনায় পা গুলো সরু সরু, হারের অবস্থায় ভয়ঙ্কর,মেয়ে যে বামুন।ছেলেকে বলেছিলো,ছেলে বৌমা সোজা অস্বীকার করেছে .বলেছে তুমি না থাকলে আশ্রমে দিয়ে দেব .আমার ওকে নিয়ে থাকা সম্ভব নয়,হার্টের রোগী মায়ের আগেই দুবার হার্ট এটাক হয়েগেছে,স্বামী যতদিন ছিল একরকম কেটেছিল,কিন্তু স্বামী চলে যাবার পর ছেলের এই ব্যবহার ,বৃদ্ধা শুধু ভেবেছেন ,আজ যেমন স্বামী চলে গেলেন , কাল তিনি যখন চলে যাবেন কি হবে তার অসহায় মেয়ের। তাই সহজ সিদ্ধান্ত ,দীঘা আর দীঘার সমুদ্র। ভরদুপুরে ফাঁকা সমুদ্রে অনেচ্ছুক মেয়েকে জোর করে জলে নামিয়ে ছিলেন। নিজে জল থেকে উঠে গেলেও মেয়ে কোথায় ভেসে গেলো , দাঁড়িয়ে শুধু দেখেছেন ,কিন্তু একপাও আর এগাতে পারেননি ,ধপ করে ওখানেই বসে পড়েছিলেন।

কি জানি কেন ,কিছুটা ইচ্ছায় কিছুটা অনিচ্ছায় ছবিগুলো প্রিন্ট করালো সঞ্জয় । পরেরদিন সকালেই বেরিয়ে পরা , অনেক কিছু মনে হচ্ছে কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছবির প্রিন্ট গুলো নিয়ে থানার দিকে রওয়ানা দিলো ।মহিলাকে ছাড়াতে কেউ আসেনি, থানার ভিতর দূরের একটা চেয়ারে সেই সমুদ্রতীরের মতন ভাবলেশ শূন্য হয়ে বসে আছেন। এক ফোঁটা জল ও বোধহয় মুখে দেননি। সামনে চায়ের গ্লাস পরে আছে।

ছবিগুলো থানার বড়বাবুর হাতে তুলে দিতে উনি বললেন এগুলোর কোনো দরকার নেই ,জলের মতন পরিষ্কার কেস.. হটাৎ ভদ্রমহিলা ছুটে এসে ছবিগুলো কেড়েনিয়ে হাউ হাউ করে কেঁদে উঠলেন ,ঝিনুক এ আমি কি করলাম।

Coma or Stupor?

Ketaki Datta

She knew not that the hues of late afternoon

Got mingled with that of the gloaming,

With ease, just as bread hugs the layer of butter.

She knew not that her present and her past

Were making a laboured sojourn into the future

With no tall promise of return.

She knew not that her dreams were being buried

Into the deep bottom of Nada

Never to be exhumed once again,

She knew not that any homecoming

Would ever be possible

After a length of three long summers

Along with three long winters!

 

অন্ধকার রাতে

শুভাশীষ রাজা

অন্ধকার আমার খুবই প্রিয়
মাঝে মাঝে আলো আসে ছিঁটকে
কে হতে চায়না বলো জনপ্রিয়

যদি ধর্ম বলি আমি রাত
ইশ্বর তবে আকাশে তারার আলো
সত্যি বলতে অন্ধকারের নেই কোনো জাত

রাতের আকাশে তারা খসা
আমার কাছে ঠান্ডা চুমুর আবেশ
প্রেম ভালোবাসায় চুমুটাই শুধু বোঝে
অন্ধকারে তোমার উগ্র শরীর
আমার ধর্মহীন নিজের দেশ

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •