•  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতি রবিবার​

Sunday Supplement 

BILINGUAL WEBZINE

12th July, 2020

মৈশাল
কল্যাণ কুমার ভট্টাচার্য্য৷

গভীর নিস্তব্ধ নিকষ কালো শীতের রাত, আকাশে আজ চাঁদ ঢাকা পড়েছে ঘন কালো মেঘে৷ আশেপাশে শুধু জোনাকির দল৷ মাঠের চারিদিকে ঝোপ আর লম্বা লম্বা বেতের জঙ্গল৷ ওই মাঠের মাঝখানে প্রায় পন্চাশটা বিশালদেহী মোষ দাঁড়িয়ে৷ একেকটা মোষকে দিনের আলোয় দেখলে মনে হবে এ তো শুধু মোষ নয়, মহিষাসুর৷ এই সব প্রায় অপার্থিব অবয়বগুলির ঠিক মাঝখানে দুটি তিনটি ছোট বাচ্ছা৷
এখানে, এই তিস্তার পাড়ে, শীত বড় নির্মম৷ সকালবেলায় শিশিরভেজা ঘাস, গাছের ডালে বড় পা মাকড়সার বিশাল জালে শিশিরের জলবিন্দুর ওপর রোদ্দুর পড়ে রামধণু তৈরি হয়েছে৷ বড় ঠোঁট ধনেষ রাজার মতো এসে বসলো গাছের ডালে, আর আরও ওপরে বাজপাখি শ্যেনদৃষ্টিতে খুঁজে দেখছে কি পাওয়া যায়৷
মৈশাল, এই মোষগুলোর আত্মজা৷ তাকে মালিক বললে ভুলই হবে, বোধহয় এই জঙ্গল, আর তিস্তার আদরমাখা জলে এমন আপনকরে নেওয়ার রেওয়াজ আছে৷
তিস্তার ধারে লম্বা বেতের জঙ্গলে লেপার্ডের বাস৷ লুকোতে সুবিধে হয়৷ হলুদ ডোরাকাটারাও ছিল, কিন্তু কম৷ দিনমানে বেতের ঝোপে ঘুমোনো, রাত হলেই…
মৈশাল তার পরিবার নিয়ে থাকতো এই মোষেদের সংগে ঝুপড়ি বানিয়ে৷ দুধ দুইয়ে আশপাশের বাজারে বিক্রিকরে আসতো সন্ধে হওয়ার আগেই৷ ওরা ওই প্রচন্ড শীতেও একখানি চাদরের আশ্রয়ে গুটিশুটি মেরে রাত কাটিয়ে দিত৷ মুশকিল হতো যখন মোষের বাচ্ছা হতো৷ মোষ মায়েরা যৌথ পরিবারের মতই তাদের দেখভাল করতো৷ এমনই এক নিকষ কালো রাতে, জোনাকির আলো ছাপিয়ে জঙ্গলের কোনায় দেখা গেল গোল গোল জ্বলজ্বলে চোখ! দেখা মাত্র, মোষেদের মধ্যে খবরের চালাচালি, সে এক অদ্ভুত উপপাদ্য৷ মোষেরা বাচ্ছাগুলোকে মাঝখানে রেখে গোল হয়ে দাঁড়িয়ে গেল, শুরু হলো ঠকঠক শব্দ, একটা মোষ শিং ঠুকে পাশের মোষকে সাবধান করতে আরম্ভ করলো, সঙ্গে গম্ভীর বৃংহনাদ৷ কিছুক্ষন অপেক্ষা করার পর যখন লেপার্ড বুঝলো এ বুহ্য ভেদ করা অসম্ভব, তখন রনে ভঙ্গ দিল৷ ততক্ষনে মৈশাল মশাল আর বল্লম নিয়ে এসেছে, আর তার প্রিয় মোষগুলোর রনংদেহি চেহারা দেখে গর্বে মুখে হাসি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলো৷
আবার সকাল হবে, দুধ দোয়া হবে, মৈশালের বৌ দুধের হিসেব রাখবে, আর দুর থেকে বেতবনের মধ্যে আবার সরসর, খচমচ করে আওয়াজ উঠবে৷

অর্জুন
কল্যাণ কুমার ভট্টাচার্য্য৷

দড়িটা ঠিকমতো টান অর্জুন! বলায় তাড়াতাড়ি অর্জুন বড়ো একটা পাথরের সঙ্গে টেনে বাঁধলো ত্রিপলের কোনটা৷ দিপ্রহর, তবু বাতাসে শীতের কাঁপন৷
অর্জুন ড্রাইভার, আমি সওয়ার, সঙ্গে বোলেরো৷ সিকিমের অতি নির্জন পথে আমরা চলি, এই জঙ্গলে কুমারীত্বের ঘ্রাণ, এই লতাগুল্মে ভালোবাসার ছোঁয়া, এই ঝর্নার জলে ছেলেবেলা ভাসে৷
এমন এক দোলনা ব্রিজ পেরোতে হলো, যেটায় আমি গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে পেরোলাম৷ দুদিকে উত্তুঙ্গ হিমালয়, যেন স্বয়ং শিব আমাদের আগলে রেখেছেন, ভয় কি?
পথ ফুরোতে বহু দেরি, অনতিবিলম্বে সন্ধ্যার অন্ধকার এমন গাঢ় হবে, যে নিজের আঙুলও আর দেখা যাবেনা৷ তাই, এক ঝর্নার নিচে, সমতল জায়গা বেছে, আমরা গাড়ি সমেত ত্রিপল এমন ভাবে টাঙালাম, যাতে বিশ্রামের উপযুক্ত হয়৷
তখন উঁচু পাহাড়ের কোনায় সূর্যের ঝলকানি ঢাকা পড়েছে৷ চারিদিকে তীব্র সেঁওকিটির ডাক৷ সে ডাক যে শুনেছে, সেই বুঝতে পারবে৷ কাকে ডাকে তারা? এত তীব্র তাদের ভালোবাসা?
পাহাড়ের এই বিশাল হ্নদয়ে এ ভালোবাসা বড় মধুর৷
আমাদের চারিদিকে ফার্ন, একটু দুরে ধুপী গাছের জঙ্গল, সবুজ থেকে কালো রং ধরছে৷ অর্জুন স্টোভ ধরিয়েছে ৷ পাহাড়ে ভাত আর ঘি দিয়ে এই অসাধারন খাবারের তুলনা হয়না৷
ক্রমশ সন্ধ্যা নামে, ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল!
এখানে ঈগল আছে আমার বিশ্বাস, তারা এই শীতার্ত পাহাড়ের চুড়ার কাছে কোনো কোটরে নিশ্চই আজ ধরে আনা ইঁদুর দিয়ে ভোজ সারছে৷
চরাচরে মানুষ আমরা দুজন৷ অর্জুন মুন্ডা, সাঁওতাল, অসাধারন ভালো ড্রাইভার আর সঙ্গী৷ ও জানে আমার কখন নিশ্তবধতা পছন্দ৷
এইরকম সন্ধ্যা আমার জীবনে অনেকবার হয়তো এসেছে, কিন্তু এই দিনের সন্ধ্যেটা ছিল স্পেশাল৷
পাহাড়ের ভালোবাসার একটা শিরশিরে অনুভুতি হয়, বিশাল কোনো মহীরুহকে আলিঙ্গন করে বলি, তোমার সহজ, সরল আর এই বিপুল হ্নদয়ের ভাগ আমায় দাও৷
তাই চী, চাইনিজ মার্শাল আর্টএর এক দর্শনেও এই প্রকৃতির সঙ্গে একাত্ম হওয়ার কথা আছে৷
রাত ঘনায়, সন্ধ্যে গাঢ় হতেই সেঁওকিটিরা ঘুমে ঢলে পড়েছে৷ এখন অখন্ড নিস্তব্ধঃ চরাচর! ভগবান নিস্চয়ই নিচে নেমে এসেছেন৷
এ বিশ্বাস আরও দৃঢ় হলো, কয়েক গ্লাস উৎকৃস্ট আরক পেটে পড়ার পর৷
এই অযাচিত ভালোবাসায় ঘেরা পাহাড়, এই স্থৈর্য, এই গাম্ভীর্য, এই বিশালতা, আমায় মুগ্ধ করে৷ মনে হয়, দুটি গ্রাসাচ্ছাদনের ব্যবস্থা করার এই ভয়ংকর, নক্কারজনক জীবন থেকে, যদি তিনি আমায় এখানেই আপন করে নিতেন৷
অনেক কিছুই পাওয়া হয়নি, অনেক কিছুই পাবোনা জেনেও কত্ত চেস্টা করেছি পেতে, কিন্তু এও আমার বিশ্বাস, এ জন্মে না হোক পরজন্মে আমায় তিনি এখানেই কোনো সেঁওকিটি করে রাখবেন৷ আমি তীব্রডাকে হয়তো আরেক সেঁওকিটির মন পাবো৷

তুমি ঠিক করে থেকো
Anannya Roy

ছোটবেলা থেকেই তোমায় খুব একটা বেশি কাছে পাইনি…
কাজে ব্যস্ত থাকতে, দাদার পড়াশোনা, ওর ফিউচারটা নিয়ে টেনসন, একা হাতে মানুষ করা সহজ নয়।
তখন বুঝিনি মা। এখন বুঝছি। কি করে দাদাকে তৈরী করে আমায় তৈরী করতে শুরু করলে;
ওকে যেইগুলো করতে পারোনি, সেইগুলো আমায় দিয়ে করার চেষ্টা করলে।
সব সময় বলতে সর্বগুণসম্পন্ন হতে হবে আমায়!
এত তাড়াতাড়ি বড় করে ফেললে যে ছোটবেলাটা দেখতেই পারলে না আমার…

ওই যে এখন সারাক্ষণ বলোনা যে তোকে টেনে বড় করে ফেলেছি; ঠিক মা, খুব তাড়াতাড়ি বড় করে দিলে। ছোটবেলাতে বকা-মার ছাড়া কথা বলতে না, খুব ভয় পেতাম তোমায়; ভাবিনি কোনো দিন যে আমাদের এমনি গভীর সম্পর্ক হবে…
আর যেই তোমার আমার এই আদরের দিনগুলো শুরু হল, আমি তোমায় বুঝতে শিখলাম আর তুমি আমায়; সেই আমায় দূরে চলে যেতে হল তোমার থেকে। হ্যাঁ, মানলাম কোলকাতা কাছেই, কিন্তু রোজ তো আর তোমায় দেখতে পাইনা…
আগে এতটা বুঝতাম না, সারাদিন ঘুরে বেড়াতাম; বুঝতাম না, তোমার থেকে দূরে থাকা কি হবে…

এক বছর হবে। আমি তোমার থেকে দূরেই আছি, মাসে একবার দেখা হয়ে যায়, তাও কাছে আছি তাই…
কিন্তু মা, এই যে বেড়িয়েছি; আমার আর কোনো দিন সেই তোমার কাছে সারাদিন থাকা হবে না। এরপর আরও দূরে যেতে হবে, তাও, এই যে সময়টা পেলাম, আমি খুব খুশি! হ্যাঁ, ইরিটেট হয়ে যাচ্ছি মাঝে মাঝে; কিন্তু এই দিনগুলো যেমন করে সারাদিন কাটছে তোমার সাথে; আবার সেই ডেইলি রুটিন লাইফে ফিরে গেলে খুব মিস্ করব…
তোমায় সেই একা ফেলে যেতে হবে আমায়…
আবার তোমায় সন্ধ্যেবেলায় চা দেওয়ার কেউ থাকবে না, নিজেই নিয়ে খেতে হবে। আমায় আর সারাক্ষণ কেউ আদর করবে না, আর বারবার খাওয়ার জন্যেও কেউ জিজ্ঞেস করবে না…
যাই হোক, আমি আছি মা, তুমি ঠিক করে থেকো; তুমিই তো বলো, এইটাই লাইফ!
এই লকডাউনে এই একটাই জিনিস আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে.

Emotions Revisited

Ketaki Datta

Did she ever laugh throwing her head back
Boisterously, driving all souls out of their wits?
Did she ever cry, banging her head on the wall
When her husband forbade her to go next door
Where her bosom friend built a shack with
A habitual drinker, a business-ally,
dumping all former partners?
Did she ever fish out her ’kerchief to wipe off tears
Streaming down her cobwebby eyes,
While she stood up, bedraggled, after a rape
Behind all eyes, beside a tavern, with a crimson-ashen
Evening, descending soon to cover up
All her hesitant moves, her feelings of guilt?

অশ্রুতে অগ্নি-নির্মান
ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

হয়ত আমি মাকড়সা ছিলাম, রবীন ক্রুসোর সেই মাকড়সা
সাতবার হেরেও আটবারে স্পর্শ করেছি লক্ষ্য।
আচ্ছা আমি কি পৌঁছেছিলাম
অরণ্য গুহায়? রানাপ্রতাপের কাছেও?

আমি চন্দ্রমুখী হতে চাইনি, পারো-ও নই..।
অশ্রু মুছতে হাতে রুমাল তুলে দিতে শিখিনি,
তরোয়াল তুলে দিই আমি সহপ্রেমিকের হাতে।
যে তরোয়াল হাতে, পিঠে গঙ্গাধরকে বেঁধে
ঝাঁসি কাঁপিয়ে ছিলেন, সেই মাকড়সা-নারীর।

মহাকালের চক্রে,
আমি ক্লান্ত হই না।
আমি সহানুভূতি চাই না।
গোমুখ থেকে উদ্দাম নামতে নামতে
আমি আজ ভাগীরথী।

আজ, জানি ব্রহ্মপুত্র ‘মিথ’ মাত্র।
আমি ভাগীরথী।
আমার পলিতে মুখ রেখে
আমি নিজেকে নিজের সহযোদ্ধা দেখি।।

উদ্বাস্তু
সনৎ সরদার

ছেঁড়া ছেঁড়া পাতায়
কবিতা ঝাপসা, শব্দ তলানিতে
ভাষা চায় জীর্ণ পাতাগুলো
আস্তাকুঁড়ের জীবন থেকে
বধির ঝাউবনে ঝম ঝম বৃষ্টি…কবে নেচেছিল ছিল সেই নর্তকী
শুকনো ডালে বাসা নেই, পাখি উড়ে গেছে
কালবৈশাখীর রাতে।

বসে আছি তুমি আসবে বলে
মোস্তফা হায়দার

নদীর তীরে দক্ষিণা বাতাস বলে যায় বেদনার কথা, বেঁচে থাকার কথা।
নিদারুন সুখের ভেলা ভাসাতে এসে দাঁড়াও প্রিয়ার আঁচল ঘেষে।
জলের কলতান আর বাতায়নের মিহিসুর স্বপ্নের প্রিয়ার কাছে বসিয়ে রাখে
বিমুগ্ধতায় জড়িয়ে রাখে প্রিয়তমার সোহাগ।
বসে আছি তুমি আসবে বলে;
মেঘনায় মাঝির ভেলায় চড়ে উড়াল দেবো দিগন্তের পানে,
যে দিগন্তের লালিমা ছুঁয়ে বিদায় নেয় দিনের বাতি।
বসে আছি সন্ধ্যার সোহাগ নিতে অথবা নোনা জলের খোপাবাঁধা প্রেয়সি দেখে নিতে।

তোমার কাছেইতো সব বন্ধক রেখেছি ফিরে পাবার আশায়।
আহবানে ভুলে গেছি ফেলে আসা সময়ের কথা,তোমার কথা।
ঈশ্বর দেখে নিয়েছো আমার ভেতর কথা, লালন করা স্বপ্নের কথা।
ক্ষমা করো জলের গায় মাথা রেখে ভুলতে থাকা সময়ের কথা!

DONKEY IN LION’S SKIN
Mantri Pragada Markandeyulu
Story Writer, Post, Novelist

THEME:

One should not deceive.
If anybody deceives, such person or animal will have to confront so many problems.
For deceiving others, such person’s/animals get punishments.
Deceiving people/animals never escape forever.
This is the one story pertaining to Deceiving.
This is the story of Donkey.
People or animals have to live and lead the life, as per their own life, what the God directed.
Donkey has to live and lead the life on this mother Earth like Donkey only.
Lion has to live and lead the life like Lion.
Fox has to live like Fox.
Elephant has to live like Elephant.
Snake has to live like Snake.
Monkey has to live like Monkey only.
Crocodile has to live like Crocodile only.
Tiger hs to live like Tiger.
Wolf has to live like Wolf only.
If people or animals deceive others, even such people or animals will get killed or even they are sent to far-away and unknown places including thick and dangerous forests.
This is the story of a Donkey which was beaten very badly by Villagers for deceiving the Villagers and other animals.

STORY:

Once upon a time, there lived a Farmer.

This Farmer was very much miser.

This Farmer used to live and lead the life by facing so many problems.

Even he used to beg food for his survival.

This Farmer was having one small thin and weak Donkey.

The Farmer used to get more work from this Donkey daily, without feeding sufficient food.

The Donkey was working very hard.

The Donkey used to carry more weight on its back.

This Donkey was given less Food and asked to work hard while carrying big weight on its back.

This DONKEY used to suffer a lot and was weeping a lot.

Nobody used to console this Donkey.

This Donkey was helpless.

Everyday this Donkey used to cry and weep.

The villagers and onlookers, used to pity on this Donkey.

The Donkey became very weak and thin.

At last, this Donkey was unable to work in the farm field.

The Donkey stopped working.

The Farmer was in dilemma.

The Farmer was very much in worry.

The Farmer thought that, if I want to buy another Donkey, he was not having money.

I don’t have that much money to buy a Donkey, thought this miser Farmer.

The Farmer was in deep agony.

What to do?, the Farmer thought.

The Farmer had given a deep thought.

The Farmer was thinking with an vision.

Few days passed.

The Farmer was in very big dilemma.

On one day the Farmer was going to his Farm Field.

The Farmer while in his way to his Farm House, he saw a dead Lion on one side of a mud road.

The Farmer got a flash idea.

The Farmer thought that if I put the skin of this dead Lion to my weak Donkey, how it will be.

So, this Donkey can enter into the Village and can eat as it like, thought this Farmer.

This Donkey can eat well and become strong, thought the Farmer.

This Donkey can become strong enough to work in the Farm Field.

I can extract more work from this DONKEY, opined this miser Farmer.

I can save money from Donkeys feeding, thought this Farmer

Moreover, I need not feed this Donkey daily, thought this miser and Farmer.

Immediately the Farmer cut the skin of this dead Lion and took to his house secretly.

Next day Morning, this Farmer has put the LION’S SKIN to the Weak Donkey.

This Donkey just looked like a Lion.

But, inside the LION’S skin, it was the Donkey.

All actions are Donkey’s Actions.

All Donkey’s Activities.

It’s just a show only like a Lion.

But all other things are Donkey’s movements.

The Farmer sent this Lion Skin covered Donkey into the Village.

All Villagers were afraid of this Donkey which was in Lions Skin.

All Villagers thought that a wild Lion entered in to their Village.

All the Villagers got worried.

All the Villagers were very much afraid.

No Villager came outside their houses because of Lion fear.

All Villagers mind blocked

All Villagers were unable to do any of their work.

All Villagers were feared for Lion.

This Donkey with the LION’S skin entered the village and had good food.

This Donkey enjoyed a lot while eating all quality item food.

No Villager dared enough to come near to this Donkey which was in Lion’s Skin.

In this process lot of farm houses got damaged.

Lot of Garden area also got damaged.

No Villager came near to this Donkey which was in LION’S skin.

On one day this DONKEY came to his miser boss Farmer Farm House.

This Donkey became very healthy and strong.

This DONKEY became head strong.

This miser farmer used to get the work done from this Strong Donkey.

In the night’s, this Donkey was let off by the miser Farmer, in the Lions Skin covered into the Village.

Few days passed.

This type of Donkeys Feed system, made the miser Farmer into a very happy mood and in happy thinking that his plan got a success.

This Donkey was also very much happy.

The Donkey thought that it was enjoying a lot at the cost of others.

On one day this Donkey thought that I should eat extremely well in somebody’s house and sing a song happily.

This mindless Donkey got this useless idea of singing and enjoying.

Immediately this Lion skin covered Donkey entered into a villager house, ate well and started singing in its own mother language.

This mindless DONKEY sang a song loudly.

This Donkey’s loud voice was observed by all the Villagers

Villagers thought that this not a real Lion.

It’s a Donkey covered in the Lion Skin.

Then see, all the Villagers came together.

All the Villagers became very angry.

One will know how the Villagers are strong.

All the Villagers with iron rods, wood sticks and lathis badly broken this Donkey’s four legs.

The Donkey was badly beaten on its back.

It was Villagers Laundry Hits.

The Lions Skin was removed from the Donkey.

All Villagers told, You Donkey, you have deceived us all these days.

You are a deceiver.

You can’t work from now on.

You can’t enter into our Village again.

This Donkey wept and cried a lot.

Lot of Blood was oozing from Donkey’s skin.

The Donkey fainted.

The Donkey was in unconscious state.

All Villagers took that DONKEY and thrown out from their Village.

Later this Donkey’s died due to heavy injuries.

The miser farmer was informed about this Donkey subject.

This miser farmer was also sent out from that Village as a punishment.

This miser farmer was also died in due course of time, because of not having food.

This is the story which says as follows :

One should not cheat or deceive others.

One should lead their own life.

One should not damage others property.

One should not make others cry or weep for nothing.

One should not fight with others.

One should not invite troubles from others.

One should not torture others.

One should not give any trouble or hardship to others.

One should not have more desire.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •