•  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতি রবিবার​

Sunday Supplement 

BILINGUAL WEBZINE

19th July, 2020

Expat Diary:

Abhijnan sen gupta


One year back when I landed in Dhaka International airport with my new job assignment from India, I never thought that it will a trip down memory lane. Though I have never been to Bangladesh before, my ancestor’s have. As I started to travel extensively throughout the country, as a part of my job requisite, the nostalgic smell of the air, the quite villages, the city hustle & the bustle&the people around me felt so familiar. Maybe the reason behind was that “Sonar-Bangla” was deeply rooted in my subconscious self as I grew up hearing fascinating stories from my elderly loved-ones reminiscing about their experience with their sparkling eyes ,moistened.
I am a pure Bengali, who lives on a fish and rice staple. And when Kolkata is losing it’s own cultural essence & getting largely influenced by other cultures, books are getting replaced by tabs & enriching literary adda’s are becoming obsolete I found tremendous solace in Bangladesh as people are proud of their heritage & still little cultural activities, little-magazine(s),novel(s) & poetries are vibrating in the wind of this mesmerizing country’s every breath. The people here are proud of their Bengali identity, something which is missing in India precisely in Bengali’s. I felt the presence of my childhood icons Al Mamud,Hason Raja, Lalon in every breadth of this pious land.
It will make you nostalgic when you drive or take a walk through Dhaka orits countryside. It is just like a crossing a TIME-ZONE&landing in Kolkata/West-Bengal 20yrs back. Simple,colorful&extremely alive.
Also another interesting part is the food of Sonar-Bangla which is a cent percent authentic gourmet Bengali cuisine .The mighty West have failed to make an impact here. Even Chinese is not that popular here. A dawat (A food invitation) even in the countryside will not have less than 12 side dishes & every dish will be superbly cooked making you wanting to finish them, even if your belly would not permit. The best part is their sense of hospitality which will amaze everyone.. It will surely take you back to the forgotten memories of West Bengal’s joint-family culture.
And now when the lockdown & the COVID threat has abruptly put an end to the famous Dhaka traffic when you never knew how long a Kilometer drive will take. The busy city has gone asleep. The chaos of the energetic crowd has dimmed. As I am also stuck in my apartment like everyone else. The memories of happy faces of known people come to my mind making me anxious on how they are? But my Bangladeshi friend’s stays in touch with me through phone all the time, asking about my wellbeing & sometimes helping me to get essentials unveils the a deep Humane face of people at Bangladesh.
I am eagerly waiting& praying for this threat to get over, so that I can once again I experience the heartbeat of Dhaka & the passionate country-side more stronglyand rejoice and rejuvenate in the rhythm of homecoming.

Share the joy
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

টনকলাল
কল্যাণ ভট্টাচার্য্য

টনকলাল বলে একজন লোক ছিল, আমাদের বাড়িতে৷ সে গোয়ালঘর সামলাতো, গরুগুলোকে মাঠে নিয়ে যেত, ঘাস জোগাড় করে আনতো৷ তার একটা খড়ে ছাওয়া পাটকাঠি আর দরমার বেড়া দেওয়া ছোট্ট ঘর ছিল, গোয়ালঘরের দরজার পাশে৷ ওর বিছানা ছিল বস্তার মধ্যে পোয়াল ভরে রাখা৷ ঘরে সন্ধেবেলায় লন্ঠন ঝুলতো, আর ও দুলে দুলে হনুমানচালিসা পড়তো৷ টনকলাল আমাকে ঐ দোদুল্যমান লন্ঠনের আলোয় অনেক পশ্চিমা ভুতের গল্প শোনাতো৷
আমাদের গোয়ালে ছটা সাতটা গরু ছিল৷ একটার বাছুর হয়েছিল৷ ছোট্ট বাছুরটার বন্ধু হওয়ার ইচ্ছে খুব৷ সকালবেলায় যখন টনকলাল গোয়ালঘরের বাঁশের হুড়কো খুলে গরুগুলোকে বার করতো মুখে ” হেই হেই হেঠ্ ” করতে করতে, আমি ঐ বাছুর টাকে জড়িয়ে ধরতাম৷ আর পেটের নিচে হাত দিয়ে একটু ওপরে উঁচুকরে ওঠাতাম৷ এটা ওব্যেশ হয়ে গেল৷ এর অনেক দিন পর, বাছুর বড় হয়ে পুর্নবয়স্ক গাভী হয়েছে, কিন্তু প্রতিদিন আমাকে সকালবেলা মাঠে নিয়ে যাবার আগে পেটের নিচে হাত দিয়ে একবার চাপ দিতে হত৷ বাগানে কাঠগোলাপ গাছ ছিল, ফুল ফুটতো দেদার৷ ওখানে কয়েকটা কাঠবিড়ালি ছিল৷ ওরাও খুব উৎসুক ছিল, মনে হয় ওরাও আদর খেতে চাইত৷ এছাড়া, ওরা সন্ধেয় বাড়ি ফিরে এলে যখন জাবর কাটতে বসতো, তখন টনকলাল আর আমি নিশিন্দে পাতা দিয়ে ধুনো দিতে যেতাম, যাতে মশা না আসে৷ টনকলাল ধুনো দিত আর আমি গরুগুলোর গলকম্বলে হাত দিয়ে আদর করতাম৷ ওরা নিশ্চই অনেক কথা বলতো, কে জানে৷
আমাদের কারেন্ট আসেনি সে অনেকদিন৷ আমাদের লন্ঠন ছিল অনেক৷ প্রত্যেকদিন সকালে পরিস্কার করে রাখা হতো৷ সন্ধে হলে এক এক করে জ্বলে উঠতো, পড়তে বসতাম আমরা দু জন, আমি আর আমার বন্ধু৷ ও অঙ্কে ভীষন ভালো, আর আমি গোল্লা৷ বাবা পড়াতে বসে রাগারাগি করতেন না, তবে বারবার বুঝিয়ে দিতেন৷ বিকেলবেলা ফুটবল পিটিয়ে এসেছি, তাই ঘুমে ঢুলে আসতো মাথা৷ তবে ঠায় জেগে থাকতাম আমরা দুজন ক্ষিদে তেষ্টা ভুলে, কারন বাবা এরপরেই অসাধারন কোনো গল্প শোনাবেন, ব্যস, সব ক্লান্তি হাওয়া৷
টনকলাল মাঝে মাঝে দেশে যেত৷ বাবা বলতো ওর দেশ পশ্চিমে৷ আমার ধারনা হতো ভাসা ভাসা কোনো জায়গার৷
ওর ওই খড়ে ছাওয়া ঘরটা আর বিছানাটা আমার বড় পছন্দের জায়গা ছিল৷ ওর গরুর গায়ের গন্ধমাখা বিছানায় চুপটি করে পড়ে থাকতাম, তবে তার জো বেশী থাকতো না, আমার দাদাদের কেউ বা দিদি দেখতে পেলেই মায়ের কানে, আর আমাকে কানধরে টেনে নিয়ে যাবে৷
আমাদের পোয়ালগাদাটা ধান উঠেযাওয়ার পর নতুন সোনারঙা খড় দিয়ে ভরে উঠতো৷ সারাগায়ে সরষের তেল আচ্ছা করে মেখে ঐ পোয়ালগাদায় স্নানের আগে টারজান টারজান খেলা৷ সরষের তেল ছিল ভাগ্গিস, তবুও সারা গা কুটকুট পোয়ালের গুঁড়োয়৷ আমরা মার্বেল খেলতাম, তবে পিট্টু সবচে পছন্দ ছিল৷
আমাবশ্যায় ঘুটঘুটে অন্ধকারে রাত একটু আগে বাড়লে বারান্দার বেন্চির ওপরে রাখা লন্ঠনের আলো কেবল হাতকয়েক দুরে ছড়াতো৷ মাঝে মাঝেই ওপারের অন্ধকার ফুঁড়ে ঝটিতি লাল লাল চোখ দেখা দিয়েই মিলিয়ে যেত৷ বাবা বলতো ভয় পাসনে৷ বনবেড়াল নয়তো খট্টাশ হবে৷ বাছুর ছোট থাকলে ভয়৷ অন্ধকার ক্রমে ক্রমে আপনজন হয়ে গেল৷
টনকলাল বুড়ো হলো, আমাকে অনেক আদর করে একেবারেই বাড়ি চলে গেল৷ আমার খুব ইচ্ছে হতো ওর বাড়ি যাবার৷
এই আলো, অন্ধকারের দিনগুলো বড় ভালো ছিল৷ গরুগুলো নিশ্চই কিছু বলতো৷
……………..ক.কু.ভ.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Illiteracy

Sounak Sarkar

A person is called “literate”, not by counting his/her degrees or pass certificates but also by his worldly behaviours and works. A person can be truelly called a literate when he/she does something to prove it by the means of their contribution to the developments and welfare of the society.

In India, as calculated by the census, there is 74.04% literacy rate, but is it really that literate? If searched thoroughly, we still can find heavy dowries collected in the far villages, children with the initial symptoms of sexual maturity are forcefully pushed to fall into marital affairs and the ‘female society’, right from new born till early stage of death are shown the highest forms of brutality, that too throughout the country.

Noble laureates like Rabindranath Tagore, Amartya Sen, Sir Chandrasekhara Venkata Raman,etc. so many more had made India so proud through their literary arts in different fields of lives. Yet India is still a developing country, and almost 16% of its enormous population still remains uneducated.

Illiteracy is a causefor many illegal activisms among people, mainly from the financially backward section of the society, hence boosting up the crime rate in India. Thousands of Rapes, daily doses of murders due to petty monetary issues, are nothing new in this country to feel ashamed of, but we still boast off the 

priceless gems of the Indian history. Why? Some realists say that if the country’s condition would have been known to be like this by the heroes who freed our nation from the colonial reign, they would never have had those amount of hardships and bloodshed for us.

It is the people who are stubborn to stay uneducated and not a worthy citizen. Even the government have tried to make this country a better place for the upcoming generation engulfed in the digital world, but still crime rate and the illiteracy rate goes on rising and getting into the red area.

Education is for all. It is not only important for making a person to be known a ‘literate’, but also to be a responsible, wise and witty citizen of a country. After all the hard days past, people still do believe that the golden bird of India shall definitely stretch its wings wide in the days to come and shall fly way higher that what it is now.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ফেইসবুক

সুচন্দ্রা রায়

আজকে আবার নামতে দেরি করছে মেয়েটা কখন যে কলেজ যাবে কে জানে ? কখন যে ব্রেকফাস্ট করবে কে জানে? কিরে নেই নিচে আসবি তো নাকি? কলেজ যাওয়ার ইচ্ছা নেই নাকি?

আসছি মা । দু মিনিট একটু এদিকে আসো তো।

মা :- হলোটা কি রে? তাড়াতাড়ি বল তোর বাবা খেয়ে অফিস যাবে আমায় তোর পেছনে পড়ে থাকলে হবে না, তার 5 মিনিট দেরি হলে চেঁচিয়ে বাড়ি মাথায় করবে।

তিন্নি :- মা আমার রেড কুর্তি টা কই ? বারবার করে তোমাকে বলি আমার আলমারি গোছাবে না কিন্তু তুমি তো শুনবে না আর রাখবে তো ব্ল্যাক জিন্স এর সাথে রাখ সেটাও রাখবে না ইউ ডোন্ট হ্যাভ এমনি কালার সেন্স মা।

মা :- সেটাই, আমার তো কোনো সেন্স নেই। মনে রাখবে আমার পেটে তুই হয়েছিস। আমি তোর পেটে না। চোখটা তো একটু ঘোড়া বি না। তোর আলমারি থেকে না বাইরের ভ্যাট টা পরিষ্কার বুঝলি।

এই বলে তিন্নির মা হাতটা ধরে এক হ্যাচকা টান দিয়ে আলমারির কোন থেকে বের করে আনল টুকটুকে লাল রঙের একখানি কুর্তি।

মা :- নিজে পাবিনা আর মা মা শুধু চিৎকার সত্যি বাবা আর পারিনা। এদিকে রিমা এসে নিচে বসে আছে সে খেয়াল আছে তাড়াতাড়ি নেমে আয়।

রিমা হলো তিনি খুব কাছের বন্ধু। সেই ছোট্টবেলার সাথী ওরা দুজন। রোজ রিমা আসেনা, কাল তিন্নি ফোন করে বলেছে ওর সাথে আজ কলেজ যাবে তাই ও এল। এস জি সকালের ক্লাসটা আজ নেই তাই রিমার সঙ্গে একটু বেশি সময় গল্প করে যাওয়া যাবে। আজ মাকে বলে দিয়েছে তিন্নি বাবার সাথে কলেজ যাবে না। টেবিলে ব্রেকফাস্ট সাজানো হয়ে গেছে তিন্নির বাবা এসে হাজির। তিন্নি র বাবা এক প্রাইভেট কোম্পানির কর্মরতা ব্যক্তি। তার সমস্ত কাজ সময়ের মধ্যে বাধা, সে সকালের বেড টি হোক আর মিটিং ই হোক সব কাজ হবে একদম কাটায় কাটায়। সারাদিনই তিনি খুব ব্যস্ত ।নানান মিটিং কনফারেন্স মোবাইল ল্যাপটপ হলো তার সঙ্গী বাড়ির লোককে দেওয়ার মত সময় বলতে মেপে এক থেকে দেড় ঘন্টা। তিনি রোজ কোট প্যান্ট এ বন্দি হয়ে অফিস যাওয়ার পথে তিন্নিকে কলেজে ড্রপ করে দিয়ে যান। তিন্নির মা কিছু বলার আগে তিনি বলে বসলেন আজ অফিসে একটা বড় মিটিং আছে তাই তিন্নিকে ড্রপ করতে পারবেনা।

তিন্নির মা :- ভালোই হয়েছে ও আজ রিমার সাথে যাবে বলছিল।

তিন্নির বাবা :- আজ ব্রেকফাস্ট করারও সময় নেই আমার। খাবারটা বরং তুমি প্যাক করে দাও।

তিন্নির মা:- ও মা ! ও কি সকাল সকাল খালি পেটে বেরোনো কি ভালো? কিছু একটু মুখে দিয়ে যাও।

তিন্নির বাবা :- তোমার অ্যাডভাইস আমি চেয়েছি? কটা মিটিং করেছো জীবনে যে ইম্পর্টেন্স টা বুঝবে? সারা জীবন তো রান্না আর খাওয়া নিয়েই ব্যস্ত থাকলে অন্য কিছু করার যোগ্যতা থাকলে তো?দেখো সকাল-সকাল তোমার মত একটা গুড ফর নাথিং এর সঙ্গে সময় নষ্ট করতে চাই না আমি। সো প্লিজ হারি আপ ।

সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় তিন্নি এই কথাগুলো শুনে নেয়। সে তার বাবার এই ব্যবহারের সঙ্গে পূর্ব পরিচিত। একবার এমন জায়গায় তাদের সম্পর্কটা যায় যে বাবা আর মার ডিভোর্স পাকা, সেবার তিন্নি ই রুখে দাঁড়িয়েছিল।

ডাইনিং টেবিলে বসে দেখলো মা মুখটা ছোট করে একটা লাল চেক টিফিন বক্সে বাবা র টিফিন প্যাক করে দিচ্ছে।তার বাবা সেটা নির্লজ্জের মতো হাতে নিয়ে তিন্নিকে গুডবাই বলে বুটের শব্দ করতে করতে চলে গেল।

তিন্নি :- মা ও মা খুব খিদে পেয়েছে তাড়াতাড়ি খেতে দাও না।

তিন্নি আর রিমা টোস্ট আর জুস খেতে লাগলো।আজ ফার্স্ট ক্লাস না থাকার সত্বেও তিন্নি খুব তাড়াহুড়ো করল খাবারটা শেষ করার জন্য।

তিন্নির মা:- ওরে মেয়ে আস্তে খাও গলায় লেগে যাবে যে। নিজের দেরি করে উঠবে আর শেষে গিয়ে তাড়াহুড়ো করবে।

এদিকে তিন্নি র ফোনটা বেজে যাচ্ছে অনবরত তার সাথে টুংটাং মেসেজের শব্দ। বন্ধুরা সব ফোন করছে নাকি অন্য কেউ?আজ প্রায় এক মাস হল ফেসবুক থেকে তিন্নি র সাথে আলাপ হয়েছে সৌভিকের। সৌভিক তিন্নির প্রোফাইল পিকচার দেখে এক্কেবারে কুপোকাত। সপ্তাহ খানেক কথা বলতে না বলতেই প্রপোজ না করে আর থাকতে পারল না সৌভিক। তিন্নিও লুক টেস্টে সৌভিক কে যে একেবারেই ডাহা ফেল করেছে তা নয়। কীভাবেই বা করাবে ওরম টকটকে রং,জিম করা ফিগার 24 বছর বয়সী এক যুবককে কি অত সহজে ফেল করানোর যায়? হয়তো আপনার কাছে যায় কিন্তু তিন্নি পারেনি। তবে তিন্নি আবার ওইসব ন্যাকা মেয়েদের মতন নয়। ভালো লাগলে হ্যাঁ বলবে নইলে সোজা না। কিন্তু এবার হ্যাঁ টা বলেনি তিন্নি। সে এক স্বাধীনচেতা ছেলের খোঁজে বরাবরই ছিল, সৌভিক একেবারে হুবহু তাই। কথা বার্তাতে ঝকঝকে-তকতকে কোন গ্রাম্য কোনা নেই আঁতলামি নেই। তবে তিন্নি এই দুনিয়ায় খুব কম জনকে বিশ্বাস করে তার মধ্যে একজন হল জুকেনবার্গ। তাই সে ইচ্ছে করে তার প্রোফাইলে অন্য তিন্নির ছবি দিয়ে রেখেছে। তার বক্তব্য কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে হবে এই দুনিয়ায়।তাইতো বহুবার সৌভিক নাম্বার চেয়েও পাননি তিন্নি র আর দেখা তো দূরের কথা। কিন্তু তিন্নি এই একমাসেই ঠকবাজি দুনিয়ায় একজন সত্তিকারের মানুষের সন্ধান পেয়েছে। সেই সন্ধান পেয়েছে তার মনের মতন একজন মানুষের। তাই তো আজ আর নিজেকে আটকে রাখতে পারছেনা সে, দেখা করে সব সত্যি করে বলতে চায় সৌভিক কে। সে বলতে চায় সৌভিক আর পাঁচটা মানুষের মতন নয়, সে তার বাবার মত সবাইকে গুড ফর নাথিং বলে মনে করে না। সৌভিকের পছন্দের রং লাল তাই সকালে অত হাঙ্গামা করে লাল কুর্তি টা পরল তিন্নি। রিমারও আসার এটাই কারন, সারা রাস্তা টাকে টেকনিক শেখাবে রিমা আর তিন্নি র টেনশন হলে তাকে সামলাবে ও। তাই মাকে মিথ্যাটা খানিকটা বাধ্য হয়ে বলতে হল তিন্নি কে। ব্রেকফাস্ট করে দুজনেই বাড়ি থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পরল।

তিন্নি :- শোন আমরা যখন কথা বলব তুই দূর থেকে আমাদের ফলো করবি। যদি আমি নার্ভাস হয়ে যাই তবে ইশারা করে জানাবি তুই এইখানে আছিস বুঝলি।

রিমা :- বাবা হঠাৎ কি হলো রে তোর, তুই আবার নার্ভাস? আগের দুটো কে তো মুখের ওপর রিজেক্ট ট্যাগটা বসিয়ে দিয়ে এসেছিলি। তাদের কোনো কথাই শুনিস নি। আজ হঠাৎ নার্ভাস বলছিস যে?

তিন্নি :- সত্যিরে ঠিক বলেছিস কি হলো বল তো আমার আমি নিজেই জানিনা।

রিমা:- থাক আর নেকা সাজো তে হবে না চল চল দেরি হচ্ছে।

এদিকে সৌভিক পৌঁছে গেছে, ফোনে টুং টাং মেসেজের শব্দ, সে ভিক্টোরিয়ার গেট দিয়ে সোজা এগিয়ে গিয়ে ঝিলের পাড়ে বসে আছে একা। সেই মত পৌঁছে গেল রিমা আর তিন্নি। রিমা কথা মত নিজেকে আড়াল করে নিল। আর তিন্নি সৌভিকের কথামতো ঝিলের পাড়ে বেঞ্চের ধারে এসে দাঁড়ালো।

সকালের ফুরফুরে হাওয়া ছুঁয়ে যাচ্ছিল তিন্নির গালে ঠোটে। ভয়ে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে আসছিল। তবুও সাহস করে সৌভিকের কাঁধে হাত রাখলো তিন্নি। সৌভিক মুখ ঘোরাতেই ছিটকে দুপা পিছনে সরে আসলো তিন্নি। নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না সে, বাবা ………….

আর বেঞ্চে র পাশেই রাখা মার দেওয়া লাল টিফিন বক্স টা।

বাবার প্রতি তার একটা ঘৃণা ছিল ই এবার থেকে নিজের প্রতি ঘৃনা টা আরো বেড়ে গেল তিন্নির।

Sholay in Lockdown
Gayatri Devi Borthakur (Assam)

(1)
Kaliya*
or
Covid -19
Everyone needs the hands only

Thakur* was helpless
Too was his circumstance

When Kaliya summoned Thakur,
” Give me your hands Thakur…”- isn’t coming to mind that
Thakur surrendered his weapons or his existence
Without a fight

Now it’s upto you
Whether you a want fight
or an exchange
Only and only yours choice
Objective type question you know
Totally and totally
Personally your’s
Will you like to carry the chain
Oh you…!!

(2)
Oh!wait
You will be a little bit disappointed
Kaliya was very much clever
If I say.like the she- crow *.

Managing time and place kaliya asked Chamba*
In the solidity of the mountain’s lower range,
“Oh Chamba,how many people were there?”
Just from a reasonable distance he asked .Perhaps, you have n’t noticed that.

“Still how many people are, together ?”
People are in crowd, boss.
Crowding the whole Earth,as you know.
“Oh! bloody you! Just unable to sneeze
Only for once..”

(3)
When in a far flung distance
An infant cries at midnight
The overhanging flap of quell wails covering her lunatic face ,
“Sleep oh dear! sleep!
Where the kiss of love burns like flames
If Kaliya comes,would have
Our happiness would have
a solid form than of the present
Oh..please..sleep, sleep..dear…”

*Sholay- The great Indian movie.
*Kaliya, Thakur,Chamba are the popular characters of this movie.
* The famous and clever cartoon character of Tinkle ,Kaliya by name .

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দ্বিজপদ
কল্যাণ ভট্টাচার্য্য

জঙ্গল! রাত গভীর৷ বাতাসে ভেসে আসছে হাসনুহানার গন্ধ৷ রাতচরাদের আওয়াজ জঙ্গলে৷ টি- টি- হ, টি-টি-হ, পাখীর ডাক৷ নিশ্ছিদ্র অন্ধকার৷ মাঝে মাঝে ঝাঁক ধরা জোনাকিরা যেন মালা দোলাচ্ছে ঝোপে ঝোপে৷ কাছেই কোথায় প্যাঁচা ডাকছে ক্রাচিই, ক্রাচিই করে৷ ঘাসের ওপর চিৎ হয়ে দেখি আকাশে তারার মেলা৷ গাছের অবয়বগুলো কালো কালো রেখাচিত্রের মত৷ শুরু হল জঙ্গলের কনসার্ট৷
দ্বিজপদ বলতো, তোমার ঘরে মন টিঁকবে না দাদাবাবু৷৷ তখন আমি বোধহয় বারো৷ দ্বিজপদ সাধু গোছের লোক৷ তার চারিদিকে এক ধোঁয়া ধোঁয়া আপনভোলা গন্ধ ঘোরাফেরা করে৷ ওর ঝোলায় ধু ধু মরুভুমির বাতাস আসা যাওয়া করে৷ ওর বাঁশি শুনলে হা হা হাওয়ায় মনটা উড়ে যায় ঝরা পাতার মত ৷ পড়ে থাকে পিচের রাস্তা, পাকা বাড়ি, ঠাকুরঘর, তুলসীতলা৷
দ্বিজপদর কথা ফলে গ্যাছে৷ দ্বিজপদ যে গন্ধ মাখিয়ে দিয়েছে গায়ে, যদি আরোএকটু দ্বিজপদ হতে পারতাম!
————ক.কু.ভ.

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অন্তহীন – আপন
ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

কোন ধর্মীয় ব্যাখা নয়। সেসব আলোচনার আগ্রহ বা ধৃষ্টতা কোনটাই আমার নেই।
… শ্রাবণ এল। শিবের মাস। তাঁর সাথে ভালোবাসা আর নির্লিপ্ততা – দুটিরই বড় নিবিড় যোগ। আজ ভিজতে ভিজতে বাড়ি ফিরতে, শুধু দু-চার কথা লিখতে ইচ্ছে হল মাত্র। শ্রাবণের সোমবার মানেই তো শিব-পুজোর ধূম। আচ্ছা, এত গ্ল্যামারাস, বৈভবশালী দেবতা থাকতেও কেন এদেশের মেয়েরা আজও শিবের মতই বর চায়? যাঁর আসন-বসন সবই ভিন্ন। সাদাসিধা। তবুও….?
আমার মনে হয় তিনি প্রকৃতই পুরুষ। তাঁর কয়েক’শ সহচরী নেই। আসলে তিনি তিনি ‘One-Woman-Man’।

তিনি এমন এক পুরুষ, যার মোহতে পাহাড়িয়া রাজকন্যা ঘর ছাড়েন। হিরে মানিক্যের লোভ ছেড়ে, ফুলের গয়নায় অপরুপা হয়ে….
হাত ধরেন শশ্মানচারীর।
হয়ত আদি পৃথিবীর প্রথম উল্লেখ্য ‘লাভ ম্যারেজ’।
অমিশ পটেলের Shiva Triology তে আদিবাসী মহাদেবের যোদ্ধা রুপও বড়ো আকর্ষণীয়।
….কদিন আগেই শুনলাম স্ত্রীর দায়ের করা ফৌজদারি মামলায় এক বিভ্রান্ত মানুষের কথা। তাঁর বন্ধুরা আশংকা করছেন, কখনও ভরা গঙ্গায় মাথা ঠিক রাখতে না পেরে
তিনি ঝাঁপ না দেন….!!

… বিধ্বস্ত সেই মানুষটি, যাকে আমি চিনিও না, তিনি হয়ত মামলা নিয়ে ততটা চিন্তিত নন! এমনটাও তো হতে পারে.. বড্ড প্রিয় স্ত্রী বা সন্তানকে ছেড়ে বাঁচতে হবে বলে আজ সে দিশেহারা!!
জানি না, তবু মনে হয় এখানেই হয়ত শিবত্ব রয়েছে অনেকের মধ্যে। যে সব বোকা মানুষেরা বহু সঙ্গসুখ চান না। তাদের চাই না কুঞ্জ বন। চাই না সখীর দল। তাঁরা ভোলানাথের মতই হয়ত ‘One-Woman-Man’।
দর্শন আর মাইথোলজি বলে, তিনিই বিনাশ, যার থেকে সৃষ্টি নির্মাণ।
..তাই তিনি নির্বিকার-আদিযোগী।
তাঁর পর্বতে বাস, আত্মভোলা। তবু তিনি তাঁর মতন করে গৃহী। তিনি আধার মাত্র।
প্রয়োজনে, উন্মত্ত স্ত্রী পায়ের তলায় আশ্রয় নিতে বা দুমুঠো অন্ন চাইতে লজ্জা পান না। সতীর মৃত্যুতে তিনিই আবার তান্ডব করেন।

আসলে, তিনি যতটা না প্রেমিক তাঁর চেয়েও বেশি পিতা। স্বামী। প্রেমিক-প্রবর রুপের চেয়েও তাঁর
অনন্ত-বিলাস বেশি। তিনি সমাহিত। আতস্থ।
….কোন সাকার রুপের কথা বলছি যে তেমনটা কিন্তু নয়।
আসলে, প্রতিটি মানুষের অন্তরেই তো অনন্তের বাস….তাই হয়ত চলার পথে
…..সারাজীবন ভরসা করতে মেয়েরা শিবকেই কামনা করে, কামনা করে তাঁর প্রিয় পুরুষটির মধ্যে – ‘শিবত্ব’।
.. দম্ভ, চাকচিক্য, সঙ্গসুখের অনেক উর্ধ্বে যিনি।
….বড্ড কাছের…তবু প্রকান্ড অপার যাঁর বিস্তার।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •