•  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

প্রতি রবিবার​

Sunday Supplement 

BILINGUAL WEBZINE

15.08. 2020

Special Issue

 

স্বাধীনতা দিবস
সৌরভ ঘরামী

“মুক্তির মন্দির সোপান তলে
কত প্রাণ হলো বলিদান, লেখা আছে অশ্রুজলে…”

ভারতবর্ষের জাতীয় ইতিহাসে দীর্ঘ ২০০ বছরের পরাধীনতার জাল ছিন্ন করে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ১৫ই আগস্ট এসেছিলো সেই বহু কাঙ্খিত শুভ দিনটি। আমাদের এই বিশাল দেশের সুমহান ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি বারে বারে ধরা পড়েছে পরাধীনতার শৃঙ্খলে।ওই দিনটিতে স্বাধীনতার সূর্য্য আবার উদিত হলো ভারতের আকাশে, উড্ডীয়মান হলো আমাদের ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা।আনন্দ, উচ্ছাস এই দিনটিকে ঘিরে।জাতীয় জীবনে এই দিনটি চিরস্মরণীয়।৭২ বছরের স্মৃতি উপলক্ষে দিকে দিকে তার দুঃখময়, বেদনাময় স্মৃতি রোমন্থনের আয়োজন। বর্তমানে সারা বিশ্ব’কোরোনা’ নামক অতি ভয়াবহ এক মহামারীর কবলে আক্রান্ত।তা সত্ত্বেও এই দিনটিতে মনকে নাড়া দিয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে বলতে ইচ্ছে করে:

” বন্দে মাতরম
সুজলাং সুফলাং
মলয়জ শীতলং
শস্য শ্যামলং মাতরম”

জননী জন্মভূমিশ্চস্বর্গাদপী গরিয়সী-জননী এবং জন্মভূমি স্বর্গের থেকেও গরিয়সী।এই দেশকে পরাধীনতার বন্ধন থেকে স্বাধীন করার জন্য ছাত্র, যুব,শ্রমিক সব মেতে উঠেছিল।কারাগারের আড়ালে ফাঁসির দড়িতে, অত্যাচারের নিষ্পেষণে মিলেমিশে একাকী হয়ে গিয়েছিলো নবীন-প্রবীণের প্রাণদান।স্বাধীনতার আন্দোলন সমগ্র ভারতবর্ষের মানুষকে অবশ্যই একাকার করেছিল।জাত, ধর্ম, সংস্কার সব ভুলে সমস্ত মানুষই মেতেছিলো দেশমাতার পরাধীনতার শিকল ছেঁড়ার জন্য। গানটি বিদ্রোহী কবিকণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছিলো:

“কারার ঐ লৌহকপাট
ভেঙে ফেল কর রে লোপাট
রক্ত-জমাট শিকল পূজার পাষাণ-বেদী”

আজ এত আলোচনা, এত উদযাপন, এত শ্রদ্ধা সেই দেশপ্রেমের যদি কোনো নাম হয়ে থাকে, তবে তিনি হলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ভারতবর্ষের ইতিহাস থেকে অনুসন্ধান চালিয়ে নানান ধরণের ত্যাগের উদাহরণ আমরা সংকলিত করতে পারি কিন্ত কেবল দেশের জন্যে সর্বস্ব ত্যাগ তাঁর মতো কে করেছে? পরাধীনতার যন্ত্রণার এমন জ্বালা নেতাজি ছাড়া কে এমনভাবে বহন করেছে? ইতিহাসে এ দৃষ্টান্ত বিরল। সুভাষচন্দ্র তাই আপামর ভারতবাসীর কাছে নিছক একজন দেশপ্রেমিক নেতা নন, বীর যোদ্ধা নেতাজি। দেশপ্রেম যেমন অমর, তিনিও ঠিক তাই। কায়ায় তিনি আজ আমাদের মাঝে না থাকলেও বিশ্বের লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষের হৃদয়ের বেদিতে অবস্থান করছেন এবং করবেন। কবির ভাষায় বলা যায়:

“নয়ন সম্মুখে তুমি নাই
নয়নের মাঝখানে নিয়েছো ঠাঁই”

তাই তো আমরা নেতাজির সেই আজাদ হিন্দ বাহিনীর সৈন্যদের স্লোগানের কথা স্মরণ করে বলতে পারি

“কদম কদম বাড়ায়ে যা
খুশি কে গীত গায়ে যা…”

সুখের দিনে স্বদেশপ্রেম থাকে সুপ্তিমগ্ন, কিন্ত দুঃখের দিনে আঘাতে আঘাতে জর্জরিত হয় স্বদেশপ্রেমের হয় শুভ উদ্বোধন। পরাধীনতার দেশ যখন বিদেশী শক্তির হাতে পর্যুদস্ত হয়, তখন সমগ্র ভ্রাতৃত্ব দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বদেশের লাঞ্ছনা মোচন ও মর্য্যাদা রক্ষাকল্পে প্রাণ বিসর্জন দেওয়ার জন্য দলে দলে ছুটে যায়। আর ঠিক এভাবেই পরাধীন দেশকে স্বাধীনতার আঙিনায় আন্তে একে একে প্রাণ বিসর্জন করেছেন বহু তরুণ বিপ্লবী, যেমন, ভগৎ সিংহ, বিনয়-বাদল-দীনেশ, মাস্টারদা সূর্য্য সেন, আর পরিশেষে যার কথা সর্বাগ্রে স্মরণীয়, তিনি হলেন তরুণ বীর যোদ্ধা ক্ষুদিরাম বসু।বলতে গিয়ে আলোচনার শিরোনামে উঠে আসে যে কেন তার নাম ক্ষুদিরাম? মেদিনীপুরের কলেজিয়েট স্কুলে অধ্যয়নকালে প্রথম দেখা যায় সত্যেন্দ্রনাথ বসুর সাথে। তিনিই তাঁকে বিপ্লবীমন্ত্রে দীক্ষিত করে পারদর্শী করে তোলেন।এরপরে বিপ্লবী দলের আদেশে সেই ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটলো।অত্যাচারী ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডের ঘোড়ার গাড়িতে বোমা ছোঁড়ার পরিকল্পনা।এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বীর যোদ্ধা ক্ষুদিরামের ফাঁসির দিন ধার্য্য হয়। তবু যেন তাঁর মনে ভয়ের আঁচড় দাগ কাটতে পারেনি।আজ আমরা তাই তাঁকে স্মরণ করে গান গাইতে পারি:

“একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি,
হাসি হাসি পরব ফাসি,দেখবে ভারতবাসি
আমি হাসি হাসি পরব ফাসি, দেখবে ভারতবাসি
একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি”

সব মিলিয়ে উপসংহার টেনে বলা যেতে পারে ১৯৪৭ সালে ১৫ অগাস্ট দিনটি সমগ্র ভারত তথা ভারতবাসীর কাছে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। তেমনি আজও ২০২০ সালে ১৫ অগাস্ট দিনটি প্রাসঙ্গিক রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

কাঁটাতার

শ্রীতন্বী চক্রবর্তী

দেশ নিয়ে ভাবতে ভাবতে ভুলে গিয়েছি তুমি হাসলে গালে ঠিক কতটা টোল পড়ে,
ইচ্ছে-মেঘে বৃষ্টি হলে ঠিক কতটা ভিজতে থাকো তুমি?
দেশের কাঁটাতার, কাঁটাতারের আল্পনা, আল্পনার মাটি, মাটির সখ্যতা, সখ্যতার জঙ্গল
দেশ নিয়ে আজও ঠিক ভেবে উঠতেই পারলাম না,
মানচিত্রের আলপথ বেয়ে ঠিক কোনখানে কতটা রক্ত চুঁইয়ে পড়েছিলো,
শ্বাস-প্রশ্বাস আর বৌদ্ধিক আলোকরশ্মির তাগাদায় ছিঁড়ে ছিঁড়ে গিয়েছিলো স্বতন্ত্রতা।
দেশ নিয়ে ভাবি ঠিক তখনই
যখন ভাতের থালায় উপচে পড়ে তোমার না-থাকার বর্ণান্ধ দুপুর,
যক্ষপুরী থেকে নেমে আসে সবুজ দৈত্য
আর স্মৃতির শান-বাঁধানো পুকুরপাড়ে
পড়ে থাকে দেশ-দশ-প্রেমিক-উপযাজকের মৃতদেহ!
আমি খুঁজতে থাকি, খুঁড়তে থাকি কোথাও যদি অনুবাদ পাই,
হাপিত্যেশ করে বসে থাকি রাতদুপুরে,
যদি বা তোমার সাথে তোমার দেশেই যাই?

তিতলি

পৌলোমী নাথ

তিতলি, মফস্সলের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের বড় মেয়ে। ছোট থেকেই তিতলি দেখতো তার মা তার বাবার সঙ্গে  ছাড়া বাড়ির বাইরে বেরত না, যখনই বেরত তার বাবা তার মা-কে সঙ্গে নিয়ে বেরত। তিতলি স্কুল ছুটির পর যখন স্কুল থেকে বেরত তার মনে হত অন্যসব বন্ধুদের মায়েদের সঙ্গে তার মা-কেও সে দেখবে দাঁড়িয়ে থাকতে। কিন্তু সেটা কোনও দিন তার দেখা হয়নি, স্কুল থেকে বেরিয়ে রোজ তিতলি তার বাবাকেই দেখত। খুব অভিমান হত তার। সে অনেকবার বাড়িতে জিজ্ঞাসাও করেছে কেন তার মা তাকে স্কুলে দিতে বা আনতে যায় না, বার বারই উত্তর পেয়েছে এটা নাকি তাদের বাড়ির কালচার নয়, বাড়ির বউরা একা একা বাড়ির বাইরে বেরবে না। অনেক প্রশ্ন জাগত তিতলির মনে, তিতলি জিজ্ঞাসাও করত। সে বলত  কেনও মা বেরতে পারবে না? বাবাতো বেরোয় একা একা। না! সে তার প্রশ্নের উত্তর পায়নি কোনও দিন।

ছোটবেলার একটা ঘটনা তার আজও মনে পরে, একদিন তার দাদা তাকে বারবার চর মারছিল মজা করে, কিন্তু তাতে তিতলির ভিষণ লাগছিল, আর তারই প্রতিবাদ করতে সে তার দাদাকে একটা চর মেরেছিল। সঙ্গে সঙ্গে তার দাদার তাকে চর মারাটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ঠিকই কিন্তু দাদাকে চর মারার অপরাধে তাকে অনেক কথাও শুনতে হয়েছিল সেদিন। তবে সেদিন তিতলি অনেককিছু বুঝতে পেরেছিল, সে বুঝতে পেরেছিল মেয়েরা কিছু করুক বা না করুক দোষ হয় তাদেরই, তবে তাদের বিরুদ্ধে অন্যয়ের প্রতিবাদটাও তাদেরই করতে হবে। এই ভাবেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে করতে তিতলি তার জীবনের পঁচিশটা বছর কাটিয়ে দিয়েছে। আজ তিতলির কলেজে ফেয়ারওয়াল, বৃত্তি পেয়ে পিএইচডি শেষ করল সে। আজকের এই দিনটা তার জীবনে একটা অনেক বড় পাওয়া, তবে সেই পাওয়াটা শুধু স্টেজের ওপর উঠে শংসাপত্র নেওয়াই ছিল না তার আরও একটা পাওয়া তাদের কলেজের গেটের বাইরে অপেক্ষা করছিল। তিতলি যখন সংশাপত্রটা নিয়ে গেটের সামনে এল দেখতে পেল অনেক মুখের মাঝখানে একটা মুখ জ্বলজ্বল করছে আর তার পাশেই দাঁড়িয়ে আছে তার বাবা। তিতলি আজ যেন তার ডানা দুটোয় ভর করে এক নতুন ভাবে উড়তে শিখল আর তাকে কেও আটকাতে পারবে না, সে নিজে ছাড়া। তার বিশ্বাস তাকে দেখেই আরও অনেক তিতলি উড়বে তার দেখানো পথ ধরে।

” বিস্মৃত মহাবিপ্লবী ”   

কাঞ্চন কুমার গাঙ্গুলী

 
     আজকের প্রজন্ম মহাবিপ্লবী রাসবিহারী বসু সম্বন্ধে প্রায় কিছুই জানে না৷ দোষ তাদের নয়৷ দোষ  আমাদের দেশের স্বাধীনতা উত্তর রাজনৈতিক নেতা ও শাষক শ্রেণীর যারা রাসবিহারী বসুকে  ইতিহাস থেকে এক রকম অচ্যুত করে রেখেছেন৷ আজ স্বাধীনতা অন্দোলনের অগ্নিমন্ত্রের  হোতা এই বীর বাঙালীকে আমরা ভুলতে বসেছি৷ 
 
     আমরা নেতাজী সুভাষচন্দ্র বোসের যে আজাদ হিন্দ ফৌজের কথা জানি, তার কিন্তু গোড়াপত্তন হয়েছিল রাসবিহারী বসুর উদ্যোগে৷ 1941সালে ডিসেম্বর মাসে ইঙ্গ-বৃটিশ সেনার বিরুদ্ধে জাপান যুদ্ধ ঘোষণা করার পর৷ রাসবিহারী বসু বার্মা, সিঙ্গাপুর প্রভৃতি দেশে প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্ঘবদ্ধ করে ভারতের মুক্তিযুদ্ধে নিয়োজিত করার প্রয়াস করেছিলেন৷ তারই চেষ্টায় জন্ম নিয়েছিল “আজাদ-হিন্দ সঙ্ঘ” বা Indian Independence League৷ পরবর্তি কালে যা “আজাদ-হিন্দ ফৌজ” বা Indian National Army (INA) নামে খ্যাত হয়৷ সুভাষচন্দ্র এই ত্যাগব্রতী স্বদেশ প্রেমিক বীর বাঙালী বিপ্লবীকে এত বেশী শ্রদ্ধার চোখে দেখতেন যে তাঁকে আজীবন INA goverment’র প্রধান উপদেষ্টার পদে বরণ করে নিয়েছিলেন৷ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে 1905 সালের পরবর্তী যে গৌরবময় জাগরণ মুখর বৈপ্লবিক যুগ, রাসবিহারী ছিলেন সেই যুগেরই মানস সন্তান৷
 
     তদানিন্তন বৃটিশ সরকার গঠিত রাজদ্রোহ তদন্ত কমিটির রিপোর্ট থেকে দেখা যায় যে তিনি অগ্নিযুগের বিপ্লবীদের বোমাতৌরী, রিভলবার ছোড়া, বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে নাশকতা এবং রাজদ্রোহ মূলক বই প্রচার করতে শেখাতেন৷ এই তদন্ত কমিটি রায় দেয় যে 1912 সালে তদানীন্তন বড়লাট লর্ড হাডিঞ্জের ওপর দিল্লীতে যে বোমা নিক্ষেপের চেষ্টা হয়েছিল, তার পেছনে ছিলেন রাসবিহারী বসু৷
 
     1915 সালে জানুয়ারি মাসে রাসবিহারী তাঁর দলের এক জরুরি সভায় বললেন, এক বিরাট বিপ্লব আসন্ন৷ দেশের জন্য  দলের লোকদের মৃত্যু বরণ করতে আহ্বান করলেন৷ এই “জাতীয় অভ্যুত্থানের” তারিখ নির্দিষ্ট হয়েছিল 21এ ফেব্রুযারী,1915৷ কিন্তু বৃটিশ রাজ আগে থেকেই এই ষড়যন্ত্রের আঁচ পেয়ে 19এ ফেব্রুয়ারী তাঁর প্রধান কর্মক্ষেত্রে হানা দেয়৷ বহূ বিপ্লবীকে গ্রেপ্তার করে এবং বিচারের নামে প্রহসন করে “লাহোর  ষড়যন্ত্র মামলায়” 23এ মার্চ পিঙ্গেল নামে এক বিপ্লবীর ফাঁসি দেয়৷ ফলে তার এই জাতীয় অভ্যুত্থান ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়৷ ভারতে তাঁর এই অভ্যুত্থান  ব্যার্থ হয়েছিল ঠিকই কিন্তু নির্ধারিত দিনে সিঙ্গাপুরে এক বৈপ্লবিক অভ্যুত্থান হয়েছিল৷
 
     এই জাতীয় অভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়ে যাওযায় দলের কর্মিদের পরামর্শে তিনি গোপনে জাপানে পারি দেন৷ জাপানে স্বেচ্ছা নির্বাসনে গিয়ে জাপান সরকার ও সেখানকার জনগনের  সহযোগীতায় “আজাদ হিন্দ-সঙ্গ” বা Indian Independence League প্রতিষ্ঠা করেন৷ তিনি জাপানের পত্র-পত্রিকা ও বেতারে ভারতে মুক্তি সম্পর্কে নিয়মিত প্রচার করতেন৷ তাঁর এই জাতীয় অভ্যুত্থানে কোন রূপ সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ ছিল না৷ হিন্দু মুসলিম সহ সব সম্প্রদায়ের মানুষ তাঁঁর আহ্বানে সারা দিয়ে দেশ মাতৃকার মুক্তির জন্য ঝাপিয়ে পড়েছিল৷ 16/03/1942এ
টোকিও থেকে এক বেতার ভাষণে মঃ আলী জিন্নাকে আহ্বান করে বললেন, “ভারত ভারতীয়দের জন্যে হতে পারে না—যদি না হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ভারতীয়রা নিজ নিজ ধর্মচর্চা করেও জাতীয় সেবায় ঐক্যবদ্ধভাবে অগ্রবর্তী না হয়৷ সত্য যদি ধর্মের সারবস্তু হয় এবং সর্বত্র ও সকল সময়ে সত্য যদি একই হয়, তবে ধর্ম বিষয়ে হিন্দু ও ইসলাম ধর্মের অনুগামীদের মধ্যে বিবাদ হবার কোন কারই থাকতে পারে না৷” 
 
     সণ্ডারল্যাণ্ড সাহেবের বিখ্যাত বই “India in Bondage” তিনি জাপানি ভাষায় অনুবাদ করেন৷ ভারতের স্বাধীনতার জন্য তিনি মহাত্মা গান্ধী, নেতাজী, মহম্মদ আলী জিন্না সহ অন্যান্ন ভারতীয়  নেতৃবৃন্দকে বেতার বা চিঠির মাধ্যমে প্রতিনিয়ত উদ্ভুদ্ধ করে গেছেন৷ তাঁর বিখ্যাত উক্তি-“আপোষের পথে স্বাধীনতা নয়, স্বাধীনতা সংগ্রামের পথে” 

কাল দেরি হয়ে যাবে
অতীশ

সব মনে রেখে দিও না –
মনখুলে বলে দাও –
কেউ জানিনা কখন,
একটু দেরি হয়ে যাবে !
কেউ চলে যাবার পর নয়
আগেই বলে দাও –
সাথে ভালোলাগাটুকু থেকে যাক –
ভালোলাগাটুকু মেখে, চলে যাক ,
যাবার সময় হলে –
তবু শুধু – মনে থেকে যাবে –
‘ভালোলাগা’ মনে থেকে যাবে |

কতকিছু বলা বাকি থেকে যায়
কতকিছু অজানা থাকে চলে যাবার আগে
সব কিছু কেন ফেলে রাখো অস্তাচলের জন্যে
আজি বলে দাও – পাছে দেরি হয়ে যায় !

ভেবে দেখো কত হেমন্ত রাতের ভালোলাগা
বাকি থেকে গ্যাছে বলা – হেমন্ত শেষে শীত এসে গ্যাছে
ভেবে দ্যাখো কত পথ পার হয়ে গ্যাছো –
কত ভালোলাগা নিয়ে – সেই পথ শেষ হয়ে গ্যাছে
বলে হলোনা সেই ভালোলাগা – নতুন পথে পা পরে গ্যাছে |

পথ ফুরানোর আগেই বলে দাও – পথের ভালোলাগা
পথ ভালোবেসে নতুন পথে মিশে যাবে
হেমন্তেই বলে দাও হেমন্তের ভালোলাগা
একবুক শিশির মেখে সে শীতে মিশে যাবে

আর দেরি নয় – আজ বলে দাও সব বলে দাও
যত ভালোলাগা –
কাল দেরি হয়ে যাবে !

নিঃশব্দ ঘুর্ণি
মোহনা চ্যাটার্জী


আঙুলের ফাঁক দিয়ে গলে পড়ে রাত্রি
হাতের ওপর তারা গুলো পড়ে থাকে
আর ভোরের পেছনে চুপটি করে
বসে থাকে অন্ধকার-
রোজকার দেখা একই ছবির পাশে
আমার বিশ্রাম শুয়ে থাকে।
দু চোখের ক্যানভাসে
ভেসে থাকে প্রাচীন তুলির টান-
সময়ের পাতার ভাঁজে ভাঁজে
অক্ষর হয়ে বেঁচে থাকা জীবন্ত অতীত
ভুলে যাওয়ার জন্য সাজিয়ে রাখে
অনেক কিছু-
বালিয়াড়ি মনের চোরা বালিতে তবু
আটকে থাকে বিষাদ উপন্যাস কিংবা
ঘেন্না ছেটানো ছোটো গল্প-
সে সব ভোলেনা মন।
যা ভুলে যাওয়ার তা ভোলেনা।
ভুলে যায় থোকা থোকা মাধবীলতার
স্বার্থহীন প্রেম।
ভুলে যায় ভোর সূর্যের কুসুম রং।
ভুলে যায় নতুন আলোয় রঙিন আকাশ-
শুধু বয়ে চলে
অতলে তলিয়ে যাওয়ার নিঃশব্দ ঘুর্ণি-

I WISH TO LIVE FREE IN MY COUNTRY

Humaira Ahmad

I wish to fly free

I wish to do whatever, I want to

I wish to go wherever, I desire

I wish to wear attire in which I am comfortable

I wish to live safe and independent  in my land

But what is Freedom?

In my Country, India

I still fail to understand what is freedom?

Does Freedom means –

Disrespecting our mothers, sisters, wives?

Increased in sexual violence?

Where, Nakedness and dirtiness has become priority and part of culture?

Where we wish not to see the truth!

Where dishonestly is the new & real truth!

What is Freedom?

No time to hear someone cry

No time to think good for others

Believing and practicing Injustice

By destroying mother earth

Killing and violence against animals

Wake up! Wake up! Humans

Stop being devotees of cultureless and meaningless practice

Stop misusing & misunderstanding the freedom given by our Heroes!

TEA STALL

SUDESHNA HALDER

The poor has to be proud. He knows this. Has known since he knew he was poor, which was quite early on in his life. What he does not know is why. He looked at his smudged grayish reflection on the mirror and was habitually pleased. He could hardly see anything for the lack of sun in his small and dingy room in the centre of their slum. That did not stop him from being content though. It has been like this; the flood of confidence and satisfaction has been soaking his meager life of inadequacies since quite some time now. And why shouldn’t it? He was a role model of Darwinian subsistence. If he assessed his 22 years of life, which by the way he did not for these things are for the rich only, he would have been ecstatic. Born within poverty he was stripped off the flimsy means at 8 when his father died, rotting his liver in a bellyful of moonshine, leaving in his inheritance a widowed mother, a sister, an infant brother and an abyss of insolvency. From then on he sweated out to grab a slice of poverty from the womb of decay. He knew then, it was a matter of waiting to climb above the surface of the water and he also knew the wait has to be short for the water was suffocating him and his family of every breath. Today he does not remember when that wait ended, when he raised himself upto poverty and beyond. Today he still is poor but only relatively with a cycle, an engaged sister to be married off almost comfortably soon, account with money in bank and a tea stall at a prime location in the city.

He cycled through the nascent sun of the dawn, his supply for the store packed and adjusted circumspectly on the remaining space of the cycle. He manages the store alone for the initial hours, around midday his mother joins him when she brings food for him and in the evening, his young brother joins him for that is the pick time and customers just pour in like dust from a broken window in a storm. He prayed to god customarily, hence absent mindedly before unlocking his store. It was right where two adjacent street lines met, diagonally facing off a busy bank and opposing the auto stand on the other foot. Principally a tea stall, it also had the accessories of a typical tea stall with a repertoire of cigarettes and bidis, pan masalas and tambakoos, water and chips of cheaper range. He refilled his shelves and stashed and draped as many packs as possible; with the store looking like a pregnant woman with a long overdue delivery, he was satisfied. With the utensils set like props on theatre stage, set to start acting on cue, he settled on the bench he ties to his stall with a chain and lock to secure it at night and took the few unrushed breathes allotted to him. He enjoys this time with nothing to do and indulges in admiring the peace emitting from sheer nakedness of nothings. He deliberately comes early to the shop to get this free time away from his daily battles and his daily victories. He sat, his back arcing on the post behind and looked ahead, to his stall in front of him, to the road through the cavity of his stall, to the trees banking on the other foot and shielding the houses there, to the houses that seems to grow above the canopy of leaves, to the white hued sky that he is so familiar with. He became numb with looking at the portrait as he does every day. That is why he did not notice the girl before she blocked the portrait. Almost shyly he faced her with brows asking of her requirements. He has seen her before, she belongs to the jogger’s horde. Early at morning, she passes by his store on a slow sprint, intimately with a guy. Today is the first time she stopped and today is the first time she is alone.

She settled with the tea and the cigarettes on the steps on the entrance of the bank, diagonally from his stall. He waited for her to go away in a breezy irritation. With the autowallahs coming in for their morning tea he was beginning to get busy for the day, but kept remembering the oddity of her being as the autowallahs hurled look-at-her-stares to something behind him, diagonally from his stall. She is still there- he knew from the stares. When the crowd of customers thinned a little, he cast a sidewise look, covering a wide area around the steps of the bank, he knowingly widened the coverage to imply the girl was not subject of the scrutiny. He failed in his implications, as she, like on cue, raised and left, throwing the empty synthetic cup on the road. He shied with shame of getting caught and relief , got busy in making tea and forgot in next 5 minutes.

He did not remember her till he was putting his oven to a long due rest. She was there again. He handed out the cigarettes but denied the tea that stay hidden in his kettle. Midnight was no time for a girl to ask for tea. He took the utensils and piled them beside the soapy water in the bucket a few tens of metres away from the stall, and started washing them mechanically. He was irritated with the girl and did not look up at her or anything else till the pile was washed. When he looked up for he could not help doing so, he noticed her for the first time. She was pale in her expressions, edging on misery. She appeared blurred from being absent in her dejected thoughts and. Suddenly his irritation waned, he was familiar with that expression, be it for some other reasons.

He willfully remembered her the next dawn, but she did not come to his store, nor did she pass through it jogging with the guy or alone. By the time it was morning and the sun scorched and scalded the streets, she was nowhere on his mind. But as the day flew to night and the night to closing hour, she came again, like a silhouette from emptiness. This time he gave her a cup of tea, the last cup of the day sold at his store. He could not afford to lose out on income again. The girl, almost sensing his generosity uttered a tender thanks before settling on the steps, fourth step from the ground, as always. He looked at her while washing the kettle and found her looking at him, or rather the washing. There was an effort on distraction in her eyes laced with half hearted curiosity. He smirked inwardly, she is not the first person to be curious of poverty with the life jacket of riches. He noticed her clothes and hair was uncared for unlike yesterday. He understood her grief in the way he could without asking or being told. It was an evident of his apathetic nature to understand her and grant her consolation of the stairs at a midnight hour without irritation. She appreciated this the next night when she returned, with a neutral curve of her lips that was recognized a smile only for it reached her eyes. The curve became legit smiles and replaced the request for tea and cigarettes. He knew of her requirements and volunteered to hand over without asked to. She for her part offered exact change and patiently waited if there were still any customers. He was aware that she still noticed his washing and cleaning and ultimately closing the shop but the curiosity is taken over by acknowledgement.

It is usually half past midnight when the washing, cleaning and preparing for the next day is done with in his store. The girl stays on the stairs for sometime after he closed the store and cycled away. But today he was delaying leaving. The girl was there on the stairs, this time talking over her mobile phone. But he could not bring himself to leave. There was a van in front of his store where there were two men, both intoxicated. He was annoyed with the girl for staying so late and remembered his initial irritation with her. He was surprised to find that it did not match with today’s irritation and found himself annoyed, not with the girl but the men in the van, drunk and staring at a girl out of home. He looked at the girl, who was oblivious of the potential danger and was absorbed in her conversation. Mentally he wanted her to take notice of his stare and the men in the van and she did, like she would have if asked aloud to. She noticed him and noticed the men in the van following his directorial guidance, eye to eye. At once she raised and left the store. He cycled by her side for some time to make sure she was not followed. This city is not good for girls.

It was the end of month. He has an additional job today. Accounting. He was checking his small notebook where he kept meticulous records of all his deals. He was uncomfortable and looked about his store. She could tell something is not right from the way he kept shifting. Shortly before the washing time, a policeman appeared, a lazy slimy grin plastered on his face like a wet poster on a moss covered wall. She watched as he forwarded the bench and cigarettes to the policemen and talked in a diminutive tone with hunched shoulders to him. Her curiosity raised, she wondered what it was about. Suddenly, the policeman raised his voice, unaware that there was an onlooker. The policeman was leveraging his uniform and demanding money for his lack of salary from Govt. she strained her ears and heard him bargaining the amount. The policeman refused to budge and raised his voice and thumped his stick on the bench. She could not take it anymore. She came and stood in front of the store. She knew the policeman will not get violent if an upscale educated girl is around. It was true, what she thought. On locating her the policeman retreated. He grudgingly accepted the roll of money and went away. She knew that he will probably come again but at least he was gone now. He, visibly relieved with the withdrawal of the policeman gave her a genuine smile of gratitude and said, “policewale apna hafta lene chale ate hain”. She smiled back and nodded in agreement. That is the first time he ever spoke to her. It was oddly liberating. He knew it was not much, but just an acquaintance but for him it was a prized realization. He was already looking forward for the midnight when she will come and sit silently on the stairs when he was cycling rhythmically towards his shop the next dawn. He had an elated feeling the entire day for not really anything in particular. But when nobody came by half past midnight he was uncomfortable. He was not bothered, but he was plain uncomfortable with the breach of habit, like one is when he changes his shoes after a long time. He was not upset definitely, just mildly curious when the girl did not come the next day either. After three days went by he did not expect or remembered her anymore. He knew deep down, it was supposed to stop suddenly, as it started. His powers to forget and accept are his treasured allies in his survival challenge.

It was over a week after she had stopped coming that he saw her. Not around midnight, not alone. He saw her early morning, jogging while passing by his store, with a guy, intimately. He smiled as he understood her not coming, he was happy for her, for the end of her grief.

The next day as they jogged, he saw them slowing down as they came near his store. They approached his store. He saw them coming, when they were close enough he flashed her a small smile of recognition. She was uncomfortable coming to this store for some reasons she was not acknowledging. She numbed down at his smile and hesitated and overcame the hesitation and then smiled back. But at that hesitation it became clear to him, why the poor should be proud. It was another weapon born of economy that helped them survive.

Versatility on your tongue  

Mahek Ganeriwal

India, Hindustan, Bharat – these are the names of the same country defined by many more adjectives and seen as one even after containing cultures and over 20 languages. India has one more thing that is somewhat explored by even its residents, food. India has not only accepted and redefined cuisines from its own land but taken dishes from all around the world and modified them. Mexican, Chinese (more like Indian Chinese), Italian, Mongolian and everything in the middle, you name it we either have it in its authentic form, or modified according to the lands taste buds.

Here food is not just food, its celebration, it’s moaning, it’s a gesture of welcome, it’s also God (Devi Arnapurna). Believed here that food is sacred and a way to anyone’s heart and soul, it is prepared more at home than eaten outside its also colorful. Colorful to please the eyes and not only the tongue.

Starting with the West, known for its spicy and savory dishes like from Rajasthan you will have – Mirchi Bara (Chilly fritters); Gattekisabzi – this is a gravy dish made from Gram Flour); Lasunki chutney (chutney made from garlic); KalmiVada and many more such dishes. But from this land of chilly and spices have you tried Churma? Not only one but we present you an array of sweet dishes dripping of flavor and sugar. Sweet enough to give you a sugar rush in the first bite. So, here are some heavenly for your mouth which is watering right now! – Ghewar, Imarti, Lapsi, Gondkaladdu/ chakki, MotiPakh, Seera, Fini and etc. 

In the East, Assam is one state that carries beauty in the air. Color is one of the most important aspect of its culture and anyone can conclude this just by looking at their houses and dressing styles. Equally beautiful in terms of flavor are its dishes. Khaar, a meat delicacy is this region which also includes vegetarian ingredients. MasorTenga is a tangy fish curry, and yes it’s a celebration of flavors in your mouth. Again sweet dishes are a part of each state and Assam has dishes like Pitha which is also enjoyed in Rajasthan, NarikolorLaru, KomolarKheer and many, many more.

South is undoubtedlyfamous for the various dosas and the chutneys that come with it. Upma, Idli and Vada and Uttapam are again South Indian Dishes eaten as breakfast in the North. Moreover there are varieties of dosas all over India.

North Indian dishes as well are loved not only all over India but all over the world.

The underlining part is, there might be cultural hegemony of different countries in India, but our food is so versatile and flexible can it is loved regardless of borders, accepted regardless of personal taste and modified regardless of its origin.  

Notun jeebon shobdo shonkolon

Rupali Agnihotri 

Chirokele shorto “khobor kora” theke beriye jog hoyechhe, Onyoke banchanor shorto o. Jhunki aar eka r noy, mathay raakhte hochchhe onyoder jonyo joruri shabdhani podokkhep er kathao. 
Mooldharaar shongbaad madhyom theke digital, portal, podcast, maay pdf shonkolon o.. Shobdike kheyaal raakhar daay. Boiparaar boi o online. Baarite shokal theke kaak chil boshte paay na.. Karon, bachchar online class, sheshe baap ma’r work from home. Prottonto elakaar porua ra bratyo, Net connection er chhonya na pawa Bratyojon”! Aajkaal net duniyar citizen der netizen bole,  Era tobe kon duniyaar????
Eshober poreo mukhe mask niye facebooki der Dirghossas! Social media r Ononto album e ekhono rongeen prithibir Golpo! Oti boro beroshik o rongeen banaano  Aakash dekhe swopno bone! 
Kallolini tilottoma dhonyate raasta miss korchhe! Khelaar maath hajar decibel er chitkaar miss korchhe! Ondhokaare danriye thaka thyangare bus gulo raater traffic miss korchhe! IT r chhele meye gulo officer smoking zone miss korchhe! Praanghaati songkromon eshob bojhe naa! Corona- niti mene ekhon shob rastai Bandh! 
Shudhu matro golipothe du-charte jhunti dolano tution porua chhara shunshaan shob! Paa er awaj e paraar laalu bhulu rao chomke uthchhe! Shob ta maathe mara gyalo!  Somosto porikolponaar baara bhaat e chhai diye Hemanta- Kishore din gulo o paalon hoye gyalo, kau jaanteo paarlo naa! “Aami duur hotey tomarei dekhechhi”  chhara aar kichhui hoye uthlo naa!! 
Porittraan khunjchhe Maanush! 
Oneek chhotobelay, mone achhe bharati shongher maath er Ramjatra r ashor theke taante taante baari niye jeto Baba! Khete khawa Maanush gulo sharadin haar bhanga kaajer por, Ramjatra kortoh! Dinshesher Anondo madhyom! Kono script thaakto naa! Ek ekdin ek ekta porber obhinoy choltoh! Shediner shei Anondo-dorja gulo jamon ekta ekta kore bandho hoye giyechhilo, Aajo temon… Shob bondho! Shob Anondo Bondho! 
Boipara bondho! Khela bondho! Multiplex bondho! Pice hotel er jhaanp bondho! Shyamol da r cha er dokaan bondho! Mon kharap kora meghla din e raasta hanta bondho! Smritir paatay dhore raakha muhurter chhobi gulo dekhe ektu dom newa chhara baaki Shooooob somosto  Bondho! 
Ermodhdhey jadavpur biswabidyalayer chhatro chhatri der bina mulye khaabaar bitoron dersho din paar kore gyalo bodhoy!  Jaak, Ota bondho hoyni tahole! Ora bolchhe,  Bondho Hobe Na”…….
 
 

আয়না শুধু সত্যি কথা বলে

সুপ্রিয় চক্রবর্তী

আয়না শুধু সত্যি কথা বলে

সুন্দর অবয়বে গচ্ছিত থাকে অজস্র ব্যর্থতা

অঙ্কিত বেহিসেবি অঙ্ক কষে চলে

খাতার পাতারা

সংসার, মায়াজাল, নিশ্ছিদ্র প্রহরী আর রাতের অন্ধকার

সত্যি, আয়না শুধু সত্যি কথা বলে…

 

আয়না শুধু সত্যি কথা বলে

সজ্জিত গোলাপবাস করেছিল পুরুষ

কিন্তু প্রেমিক ছিলো আয়নাতে

ক্লান্ত ভোরে খুঁজে পাওয়া যায় সেই প্রেমিককে

কারন, আয়না শুধু সত্যি কথা বলে

 

আয়না শুধু সত্যি কথা বলে

প্রসাধন, রঙ, সুগন্ধী আরো কতকিছু

রূপের উপর রূপের চাদর

চাঁদের কি কলঙ্ক ঢাকতে লাগে?

না কি শুধু আয়না সত্যি কথা বলে? 

 

অজানা থাক বাকি কিছু

চেনার সাথে প্রেমের থাক বিস্তর অমিল

ধরা থাক ছায়াপথ

ঢাকা থাক আয়না

কারন, আয়না যে শুধু সত্যি কথা বলে!

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •